ভাইরাল খবর
গুলশান কলোনিতে রাতভর দুষ্কৃতী তাণ্ডব, গ্রেফতার তিন
ডিজিটাল ডেস্কঃ দুষ্কৃতী হামলায় (Miscreant Attack) রাতভর ত্রস্ত গুলশান কলোনি (Gulshan Colony)। দক্ষিণ কলকাতার (South Kolkata) কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের (Kasba Assembly Area) এই এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত চলেছে দাপট। আতঙ্কে বন্ধ হয়ে যায় দোকানপাট, বাজার। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ পিকেট (Police Picket)। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার (Arrested) করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, এন্টালি (Entally) ও নারকেলডাঙ্গা (Narkeldanga) থানার যৌথ অভিযানে ধরা পড়েছে সাজিদ, মধু ও ছোট্ট রাজা নামে তিন অভিযুক্ত। এদের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অপরাধমূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র (Firearms)। আপাতত ধৃতদের জেরা করে জানা হচ্ছে, আরও কে বা কারা এই ঘটনায় জড়িত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুলশান কলোনির অটোস্ট্যান্ডে (Auto Stand) আচমকাই কয়েকজন দুষ্কৃতী চড়াও হয়। একের পর এক রাউন্ড গুলি চালায় তারা। উদ্দেশ্যহীনভাবে শূন্যে গুলি ছুঁড়ে তারা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যেই দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়, পথচারীরা পালাতে শুরু করেন।
Acting on credible inputs, the Detective Department has arrested two suspects from the Entally PS area on 12.09.25. Both are suspected to be linked to the previous day’s incident in Gulshan Colony. One country-made firearm and two live cartridges were recovered from their… pic.twitter.com/lCeHzcv9sC
— Kolkata Police (@KolkataPolice) September 12, 2025
এতেই থামেনি দাপট। রাত তিনটে নাগাদ তিনটি মোটরবাইকে (Motorbikes) করে নয় জন দুষ্কৃতী ফের আসে অটোস্ট্যান্ড মোড়ে। ফের চলে গুলির (Gunfire) দাপট। যদিও কেউ নির্দিষ্টভাবে টার্গেট হয়নি, তবে পুলিশের ধারণা, মূল উদ্দেশ্য ছিল আতঙ্ক সৃষ্টি এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তার।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, প্রতি নির্বাচনের (Election) সময়েই এই ধরনের তাণ্ডব বেড়ে যায়। রাজনৈতিক মদতেই দুষ্কৃতীরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এবারের ঘটনাও তারই পুনরাবৃত্তি।
তবে স্থানীয়দের অনেকেই মুখ খুলতে নারাজ। আতঙ্কের পরিবেশ এখনও রয়েছে এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের জেরা করে গোটা নেটওয়ার্ক (Criminal Network) ধরার চেষ্টা চলছে। কারা এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে, তা জানতেই চলছে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ।


