তিয়ানজিনে মোদি-শি বৈঠক: সীমান্ত শান্তি, অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়
Connect with us

দেশের খবর

তিয়ানজিনে মোদি-শি বৈঠক: সীমান্ত শান্তি, অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের প্রাক্কালে রবিবার চিনের বন্দর শহর তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত হল বহু প্রতীক্ষিত ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। প্রায় সাত বছর পর চিন সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশ নিয়ে হয় বিশদ আলোচনা।

বৈঠক শেষে মোদি জানান, সীমান্তে সেনা প্রত্যাহারের পর দুই দেশের মধ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতার একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা ফের চালু হওয়া এবং সরাসরি বিমান চলাচল শুরু হওয়ার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন। দুই দেশের ২৮০ কোটি মানুষের স্বার্থ জড়িত থাকায় পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান ও সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই বৈঠকে ভারত-চিন সম্পর্ককে ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর ভবিষ্যতের অন্যতম চালিকাশক্তি বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “ড্রাগন ও হাতি একসঙ্গে চললে কেবল দুই দেশ নয়, গোটা বিশ্বের লাভ হবে।”\

বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষ এবং তার আগে ডোকলাম অচলাবস্থার পর এই বৈঠক এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল। মোদি-শি-পুতিনের সম্ভাব্য ত্রিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তুঙ্গে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বাণিজ্যনীতির প্রেক্ষাপটে এই ঘনিষ্ঠতা বিশ্ব কূটনীতিতে এক নতুন ভারসাম্য তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এসসিও-তে চিনের সফল সভাপতিত্বের প্রশংসা করে মোদি শি জিনপিংকে ধন্যবাদ জানান আমন্ত্রণ ও সৌজন্য আতিথেয়তার জন্য।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads