সুকান্ত মজুমদারকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ, 'চোর-চোর' স্লোগান, জুতো ছোড়ার অভিযোগ!
Connect with us

রাজনীতি

সুকান্ত মজুমদারকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ, ‘চোর-চোর’ স্লোগান, জুতো ছোড়ার অভিযোগ!

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: আক্রান্ত বিজেপি (BJP) কর্মীকে দেখতে গিয়ে বজবজে (Budge Budge) প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বৃহস্পতিবার বজবজের হালদারপাড়া এলাকায় বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে বেরোনোর পরই একদল স্থানীয় বাসিন্দা তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বকেয়া একশো দিনের কাজের টাকা ফেরতের দাবি তোলেন তাঁরা। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, সুকান্ত মজুমদারকে লক্ষ্য করে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। এমনকি তাঁর দিকে জুতো ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।

তৎক্ষণাৎ পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু জনতার ক্ষোভ ক্রমশ বেড়ে যাওয়ায় এলাকায় নামানো হয় র‍্যাফ (RAF)। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয় বাড়তি পুলিশ বাহিনী। বজবজে কয়েক ঘণ্টা ধরে উত্তেজনা অব্যাহত ছিল।

আরও পড়ুনঃ ‘কেয়া পাতার নৌকো’-র মাঝি চলে গেলেন, প্রয়াত সাহিত্যিক প্রফুল্ল রায়

এই ঘটনার পর ক্ষুব্ধ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) জানান, “এই অশান্তি পরিকল্পিত। ওরা বাইরে থেকে জেহাদিদের এনে আমাকে ঘিরে ধরেছে। এটাই কি বাংলার গণতন্ত্র?” বিজেপি রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, তৃণমূল (TMC) এই বিক্ষোভের পেছনে।

Advertisement
ads

তবে সুকান্তের এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তিনি বলেন, “যারা একশো দিনের কাজ করেছেন, অথচ টাকা পাননি, তাঁদের ক্ষোভ থাকাটাই স্বাভাবিক। মানুষের টাকা আটকে রেখে যদি কেউ এলাকায় যান, তাহলে তো মানুষ প্রতিবাদ করবেই। এটা অশান্তি নয়, এটা জনরোষ।” কুণাল আরও অভিযোগ করেন, ধর্মীয় বিভাজন তৈরির উদ্দেশ্য নিয়েই বজবজে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা।

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে বজবজে বিজেপি কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কর্মীকে দেখতে গিয়েই এত বড় বিক্ষোভের মুখে পড়লেন সুকান্ত। ঘটনায় এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির উপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

Continue Reading
Advertisement