চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে আটকে রাখতে একের পর এক মামলা, বাংলাদেশের বিচারের নামে প্রহসন অব্যাহত
Connect with us

বাংলাদেশ

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে আটকে রাখতে একের পর এক মামলা, বাংলাদেশের বিচারের নামে প্রহসন অব্যাহত

Dipa Chakraborty

Published

on

বাংলাদেশে হিন্দু নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভু যেন রাষ্ট্রের নিশানা। প্রায় ছয় মাস কেটে গেলেও তাঁর মুক্তির কোনও আভাস নেই। এবার তাঁকে জেলে আটকে রাখতে নতুন করে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে চট্টগ্রামে। আদালতের নির্দেশে জেল হেফাজতেই চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। দিনকে দিন স্পষ্ট হয়ে উঠছে, ‘বিচার’ নয়, বরং চিন্ময় প্রভুকে জেলে আটকে রাখাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য।

সোমবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দিন পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে এই নতুন মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। জানা গেছে, কোতোয়ালি থানার এক মামলার তদন্তকারী আধিকারিক আদালতে আবেদনের পর এই সিদ্ধান্ত আসে। নগর পুলিশের অ্যাডিশনাল ডেপুটি কমিশনার মফিজ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

২০২৩ সালের ২৫ নভেম্বর ঢাকার বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তাঁকে চট্টগ্রামের আদালতে তোলা হয় এবং জামিন নাকচ করে দেওয়া হয়। এরপরই শুরু হয় আরও একের পর এক মামলা—আইনজীবী সইফুলকে হত্যা, পুলিশের উপর হামলা, কোর্টে বিস্ফোরণসহ মোট ৬টি মামলা দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুন – ‘আপনারা গদ্দারদের আশ্রয় দেন’, বিজেপিকে একহাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

Advertisement
ads

আইনজীবী সইফুল হত্যাকাণ্ডে চন্দন দাস, রিপন দাস ও রাজীব ভট্টাচার্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও, চিন্ময়ের বিরুদ্ধে কোনও প্রত্যক্ষ প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। তবুও তাঁকে বারবার নতুন মামলায় জড়িয়ে রাখা হচ্ছে কারাবন্দি।

গত ৩ ডিসেম্বর জামিন শুনানিতে চিন্ময়ের হয়ে সওয়াল করার জন্য কোনও আইনজীবীই আদালতে উপস্থিত হননি। সবাই প্রাণভয়ে পিছু হটেন। জামিন শুনানি একাধিকবার পেছাতে থাকে। অবশেষে হাই কোর্ট Division Bench থেকে জামিন মঞ্জুর হলেও সরকার পক্ষ অন্য বেঞ্চে আবেদন করে তা স্থগিত করায় চিন্ময় প্রভু মুক্তি পাননি।

এদিকে, দীর্ঘদিন কারাবন্দি থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি। কিন্তু চিকিৎসার জন্যও উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। হিন্দু স্বার্থরক্ষায় সরব হয়ে ওঠায় তাঁকে সরকার ও মৌলবাদীদের লক্ষ্যে পরিণত করা হয়েছে—এমনটাই অভিযোগ সনাতনী সম্প্রদায়ের নেতাদের।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement