ভাইরাল খবর
বাংলাদেশে চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের পুনরায় গ্রেপ্তার, নতুন মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট
ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলাদেশের হিন্দু সন্ন্যাসী ও বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময়কৃষ্ণ দাস আবারও গ্রেপ্তার হয়েছেন। সোমবার পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে শ্যোন অ্যারেস্ট (shown arrest) দেখানো হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আলাউদ্দিন মাহমুদ (SM Alauddin Mahmud) আইনজীবী হত্যা মামলায় চিন্ময়কৃষ্ণের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। এর আগে, তাঁকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার (treason) মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তবে সেই মামলায় জামিন এখনও মেলেনি। এদিকে, নতুন মামলায় আবারও তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে—তবে কি সরকারের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র চিন্ময়কৃষ্ণকে আটকে রাখা?
চিন্ময়কৃষ্ণের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা চলছিল। প্রায় ছয় মাস পর জামিন পেয়ে গত বুধবার আদালত চিন্ময়কৃষ্ণকে মুক্তি দেয়, তবে পরক্ষণেই আদালতের রায় ঘুরে যায়। জামিন স্থগিত করার জন্য সরকার পক্ষ আবেদন করে এবং ৪ মে ফের শুনানির দিন ঠিক হয়। কিন্তু রবিবার থাকার কারণে ৫ মে নতুন মামলা সূত্রে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ সাড়ে তিন ঘণ্টার জামিন, তারপর ফের জেলে! চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের মুক্তিতে স্থগিতাদেশ
ভার্চুয়াল শুনানিতে, চট্টগ্রামের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম (Saiful Islam) খুনের মামলায় চিন্ময়কৃষ্ণের গ্রেপ্তারি দাবি করেন, এবং আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে। নতুন মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে।
গত বছর ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রামে এক সনাতন সভার অনুষ্ঠানে গেরুয়া পতাকা এবং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা একসঙ্গে লাগানো হয়েছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফিরোজ খান (Firoz Khan), একজন স্থানীয় বিএনপি নেতা, চিন্ময়কৃষ্ণের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেন। এরপর, ২৬ নভেম্বর ঢাকা বিমানবন্দর থেকে ইউনূস সরকার (Yunus Government) তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং অভিযোগ তোলা হয় যে তিনি ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন।
চিন্ময়কৃষ্ণের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারির কারণে রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং প্রশ্ন উঠছে, সরকার তাঁর বিরুদ্ধে এসব পদক্ষেপ কেন নিচ্ছে।
