হামলা
চিনা পিস্তল-গুলি উদ্ধার, বাংলাদেশে পাচারের অভিযোগে ধৃত ২
ডিজিটাল ডেস্কঃ মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) ফের একবার অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। সূত্রের খবর, শুক্রবার (২ মে) জলঙ্গি থানার সাহেবপুর (Sahebpur, Jalangi) বাসস্ট্যান্ড থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি। পুলিশ সূত্রে খবর, দুই সন্দেহভাজন পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে ঘটনাস্থল থেকেই। যাদের পরিচয় জয়প্রকাশ মণ্ডল (Jayprakash Mondal) এবং সুরজ মণ্ডল (Suraj Mondal) নামে দুই ব্যক্তি— দু’জনেই মালদা (Malda) জেলার বাসিন্দা বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
পুলিশের দাবি, গোপন সূত্রে খবর আসে যে এক যাত্রীবাহী বাসে করে আগ্নেয়াস্ত্র পাচার করা হচ্ছে। সেই খবরের ভিত্তিতেই সাহেবপুর এলাকায় ওঁত পেতে থাকে পুলিশ। নির্দিষ্ট বাসটি পৌঁছনোর পর তল্লাশি চালিয়ে ধৃতদের কাছ থেকে পাওয়া যায় চারটি অত্যাধুনিক চিনা পিস্তল, আটটি ম্যাগাজিন এবং ৩০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ।
আরও পড়ুনঃ হানিয়া আমিরের পর বাবর আজম, ভাইরাল ইন্সটা বার্তা ঘিরে চাঞ্চল্য সোশাল মিডিয়ায়
ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, তারা অস্ত্রগুলি বাংলাদেশে পাচারের পরিকল্পনা করছিল। তবে গোয়েন্দাদের সন্দেহ, এই দাবির আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পারে পশ্চিমবঙ্গের ভেতরেই বৃহত্তর নাশকতার ছক। কারণ সম্প্রতি মুর্শিদাবাদে ওয়াকফ সংক্রান্ত আন্দোলনের জেরে যেভাবে হিংসা ছড়িয়েছিল, তাতে এই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে প্রশাসন।
পুলিশের এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, ‘‘এই অস্ত্রের গন্তব্যস্থল সত্যিই সীমান্তের ওপারে, না কি রাজ্যের অভ্যন্তরেই কোনও অশান্তি সৃষ্টির পরিকল্পনা ছিল, তা আমরা সব দিক থেকেই খতিয়ে দেখছি।’’ তদন্তে নামানো হয়েছে জেলার সাইবার ও গোয়েন্দা শাখাকেও। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে ধৃতদের।
রাজ্যের বিভিন্ন অংশে শান্তি বিঘ্ন ঘটানোর ষড়যন্ত্র কি পরিকল্পিত ভাবে রচিত হচ্ছে? এই প্রশ্ন নতুন করে ভাবাচ্ছে গোটা পুলিশ প্রশাসনকে।
