বিশ্বের খবর
বৃহস্পতি সন্ধ্যায় সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, চূড়ান্ত হবে সিদ্ধান্ত
নিউজ ডেস্ক: এর আগে কোনো সর্বদলীয় বৈঠক ছাড়াই পাকিস্তানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ঘটিয়েছিল মোদী সরকার। চুপিসারে ভারতীয় সেনাবাহিনী সীমান্তে খতম করেছিল জঙ্গিদের। যা নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের মুখেও পড়েছিল মোদী সরকার।
গত মঙ্গলবার ভূস্বর্গে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা চালানো হয়েছে পর্যটকদের ওপর। চুন চুনকে হিন্দু নিধন করা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে গোটা উপত্যকা জুড়ে চিরুনি তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও সেনাবাহিনী। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত সন্দেহভাজন প্রায় দেড় হাজার জন আটক হয়েছেন। দফায় দফায় চলছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ।
এরই মধ্যে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ করেছে ভারত সরকারও। মঙ্গলবারের ঘটনার পরই অ্যাকশন মোডে ভারতও। কড়া হাতে জঙ্গি নিধনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে ভারতের পক্ষ থেকে। এই পরিস্থিতিতে পহেলগাঁওয়ের ঘটনায় সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে ৬টায় বৈঠক ডাকা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিক থাকবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তবে বৃহস্পতিবারের এই সর্বদলীয় বৈঠক থেকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা নিয়ে কৌতূহল রয়েছে সব মহলে।
আরও পড়ুন – ভারত-পাক উত্তেজনা! উধমপুরে খতম ভারতীয় সেনার এক জওয়ান
জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিরা যেভাবে হত্যালীলা চালিয়েছে, যেভাবে ২৭ জনকে মেরে ফেলেছে , তাতে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা ভারতবর্ষ। দেশের সব মহল থেকেই জঙ্গিদের কঠোরতম শাস্তির দাবি উঠছে। তাই মনে করা হচ্ছে এমতঅবস্থায় সর্বদল বৈঠক থেকে সিদ্ধান্ত নিলে বিতর্কের অবকাশও থাকবে না।
পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এবারে জঙ্গি নিধনে কোনও বিতর্কের অবকাশ রাখতে চাইছে না ভারত সরকার। বরং জঙ্গি নিধনে সর্বদল বৈঠক থেকে দেশের একতা দেখানোরও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যা বোঝা যাবে আজকের বৈঠকের পর।
আরও পড়ুন – ভারতের কঠোর সিদ্ধান্তে চাপে পড়ে বৈঠকে পাকিস্তান সরকার
