স্ত্রীর প্রতারণা ফাঁস, ১৬ বছর পর ডিএনএ টেস্টে বেরিয়ে এলো ভয়ংকর সত্য
Connect with us

ভাইরাল খবর

স্ত্রীর প্রতারণা ফাঁস, ১৬ বছর পর ডিএনএ টেস্টে বেরিয়ে এলো ভয়ংকর সত্য

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ চীন থেকে উঠে এলো এক অভাবনীয় ঘটনা, যা রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছে। দীর্ঘ ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবন, চার সন্তানের জনক হওয়ার পরও এক ব্যক্তি জানতে পারলেন, সন্তানের একটিও তার নিজের নয়! এই ধাক্কা সামলাতে না পেরে তিনি বিচ্ছেদের আবেদন করেন এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোড়ন।

২০০৭ সালে শেন জিশিয়ান নামের এক ব্যক্তি পরিবারের চাপে ইউ হুয়া নামের এক মহিলাকে বিয়ে করেন। বয়সে শেনের চেয়ে ৮ বছরের ছোট ছিলেন ইউ। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই ইউ জানান, তিনি মা হতে চলেছেন। আনন্দে আত্মহারা শেন কখনোই ভাবেননি এত দ্রুত কীভাবে গর্ভধারণ সম্ভব হলো। প্রথম সন্তানের জন্মের পর, পেশায় ট্রাক চালক শেন অধিকাংশ সময়ই বাইরে থাকতেন, ফলে সংসারের ব্যাপারে খুব বেশি সন্দেহ করার সুযোগ পাননি। পরবর্তীতে তাদের দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। শেন স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেন, এই সন্তানও তারই। কিন্তু ২০১৯ সালে তৃতীয়বারের জন্য ইউ গর্ভবতী হলে তার মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে। স্বামী সরাসরি স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলে, ইউ বারবার তাকে আশ্বস্ত করেন যে সন্তানগুলো তারই। শেনও বাধ্য হয়ে বিষয়টি মেনে নেন।

আরও পড়ুনঃ চিকিৎসার বিকল্প ইউটিউব? অপারেশন করতে গিয়ে ভয়াবহ বিপদে রোগী

কিন্তু ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে এক ভয়ংকর সত্য প্রকাশ পায়। শেন জানতে পারেন, তার স্ত্রীর অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। শুধু তাই নয়, শাঙ্গারো শহরের একটি হাসপাতালে ইউ চতুর্থ কন্যা সন্তানের জন্ম দেন, যা শেনের অজানা ছিল। সন্দেহ আরও বাড়তে থাকায় তিনি হাসপাতালের কাগজপত্র পরীক্ষা করেন এবং দেখেন, সেখানে তার সই জাল করা হয়েছে।  আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য শেন তার তিন কন্যার ডিএনএ পরীক্ষা করান। রিপোর্ট হাতে আসতেই সত্যিটা সামনে আসে—এই ১৬ বছরে যে চারটি সন্তান হয়েছে, তার একটিও শেনের নয়।

Advertisement
ads

এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সামনে আসতেই তা দ্রুত ভাইরাল হয় এবং সারা দেশে এ নিয়ে চর্চা শুরু হয়। অবশেষে শেন আদালতে বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন এবং স্ত্রীকে সম্পূর্ণভাবে জীবন থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, বিশ্বাসঘাতকতা কখনো না কখনো প্রকাশ পেয়ে যায়।