কুলিক ফরেস্ট এখন মাদকাসক্ত দের স্বর্গরাজ্য, বাড়ছে চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা
Connect with us

রায়গঞ্জ

কুলিক ফরেস্ট এখন মাদকাসক্ত দের স্বর্গরাজ্য, বাড়ছে চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা

Dipa Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক , ২৪ নভেম্বর : রায়গঞ্জের কুলিক পক্ষী নিবাসের সামনে রাস্তায় মাদকাসক্তদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ায় ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে রায়গঞ্জ শহর পেরোলেই কুলিক নদীর ওপর সেতু রয়েছে।আর তার ঠিক পাশেই অবস্থিত এই পক্ষীনিবাস।

বেহাল অবস্থা রাস্তার ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা

শহর থেকে সামান্য দূরত্বের এই এলাকায় জাতীয় সড়কের দুই পাশে ঘন জঙ্গল থাকায় সন্ধ্যে গড়িয়ে এলেই চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটাচ্ছে মাদকাসক্তরা। নেশার জন্য টাকা জোগাড় করতেই তারা চুরি ছিনতাইয়ের মত অপরাধমুলক কাজে নেমে পড়ছে। শহর ও আশপাশের এলাকা থেকে আসা মাদকাসক্তরা কুলিক ফরেস্ট- এর জায়গাতেই সকাল থেকে ঘাঁটি গাড়ছে। জাতীয় সড়কের এই জায়গায় একটি বনবস্তি রয়েছে।সেখানে বেশ কিছু গরীব মানুষের বসবাস রয়েছে।তারাও রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে নেশাখোরদের অত্যাচারে। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন থেকে এখানে মাদকাসক্তদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গিয়েছে। রাস্তা দিয়ে লোকজন যাতায়াত করতে পারছে না।

পৃথক দুটি পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল দুই জনের

Advertisement
ads

তাদের কাছ থেকে, মোবাইল, গলার হার মানিব্যাগ ইত্যাদি প্রায়শই ছিনতাই করে নিচ্ছে তারা। আর এই কাজ করেই তারা জাতীয় সড়ক থেকে সহজেই জঙ্গলের মধ্যে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এই সমস্যা মেটাতে রায়গঞ্জ পুরসভার পক্ষ থেকে লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছিল পূর্বতন বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্তর প্রদেয় অর্থনাকুল্যে। কিন্তু মাদকাসক্তরা সেই আলোর স্তম্ভ গুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় নিজেদের কাজের সুবিধার্থে। শুধু তাই নয় বনবস্তির বাসিন্দাদের রীতিমতো হুমকিও দেয় তারা বলে অভিযোগ তুলে এলাকার বাসিন্দা সরস্বতী সাহা, বলরাম মাহাতো, রামচন্দ্র রাতভররা বলেন, এখানকার পড়ুয়ারা রায়গঞ্জ শহরে টিউশন পরে ঠিক মত আসা যাওয়া করতেও পারে না এদের দৌরাত্ম্যে। এদের অত্যাচারে বাড়ি থেকে বের হতে পারেন না মহিলারা। কুলিক বনাঞ্চল মাদকাসক্তদের আখড়া হয়ে ওঠায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ তারা।

শহরে দূর্ঘটনার কবলে পড়ুয়া বোঝাই স্কুলবাস

অবিলম্বে এই ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং বিভাগীয় বন আধিকারিকের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তারা। যদিও এ ব্যাপারে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য মনু মন্ডল বলেন, এই সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি দেওয়া হলেও, অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকায় সব সময় তা সম্ভব হয়ে উঠছে না। এ ব্যাপারে আমরা অবিলম্বে সমস্ত মহলে অভিযোগ জানাবো।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement