ভাইরাল খবর
ইডি হানায় ফের বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ, নর্দমা থেকে উদ্ধার মোবাইল
ডিজিটাল ডেস্কঃ সোমবার সকালে মুর্শিদাবাদের কান্দি (Kandi, Murshidabad) জুড়ে উত্তেজনা ছড়াল। কারণ, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ফের শোরগোলের কেন্দ্রে তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jiban Krishna Saha)। সকালেই তাঁর বাড়িতে হানা দেয় ইডি (Enforcement Directorate)। অভিযোগ, ইডি আধিকারিকদের দেখে বাড়ি থেকে পালানোর চেষ্টা করেন বড়ঞার বিধায়ক। এমনকি আবারও মোবাইল ফোন গোপন করতে চেষ্টার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। শেষমেশ সেই মোবাইল নর্দমা থেকেই উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
সূত্রের খবর, এদিন ভোরে ইডির একটি দল জীবনকৃষ্ণর বাড়িতে পৌঁছনোর সঙ্গে সঙ্গেই তিনি পিছনের দরজা দিয়ে পালাতে চান। তবে তৎক্ষণাৎ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন। পরে ফের বাড়ির ভেতরে নিয়ে আসা হয় এবং শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। ইডির অন্তত পাঁচজন আধিকারিক বর্তমানে তাঁকে প্রশ্ন করছেন বলে জানা গিয়েছে।
শুধু কান্দিই নয়, একসঙ্গে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। বীরভূমের সাঁইথিয়া (Sainthia, Birbhum)-তে জীবনকৃষ্ণর পিসি তথা কাউন্সিলর মায়া সাহা (Maya Saha)-র বাড়ি, মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে তাঁর শ্বশুরবাড়ি এবং মহিষ গ্রামের এক ব্যাঙ্ককর্মী রাজেশ ঘোষের (Rajesh Ghosh) বাড়িতেও চলছে জোর তল্লাশি।
উল্লেখ্য, এর আগেও মোবাইল লোপাটের অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে সিবিআই তল্লাশির সময় তিনি নিজের দুটি ফোন পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। বহু চেষ্টার পর ফোন উদ্ধার হয় এবং সেই মামলাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। প্রায় ১৩ মাস জেল খাটার পর সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
তবে আবারও মোবাইল এপিসোডে নাম জড়ানোয় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপে পড়ল তৃণমূল। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত যতই গভীরে যাচ্ছে, ততই বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার ভূমিকাকে ঘিরে বাড়ছে বিতর্ক।


