নন্দীগ্রামে পুননির্বাচন নিয়ে মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল একসপ্তাহ
Connect with us

রাজ্যের খবর

নন্দীগ্রামে পুননির্বাচন নিয়ে মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল একসপ্তাহ

Dipa Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক, ১৮ জুন : বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে গণনায় কারচুপি হয়েছে, এমনই অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার সেই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হলেও এ দিন পিছিয়ে গিয়েছে সেই শুনানি। আগামী বৃহস্পতিবার ২৪ জুন হবে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াইয়ে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার সন্ধের পর হাই কোর্টে তিনি নিজেই মামলাটি দায়ের করেন। তা বিশেষ মামলা হিসেবে চিহ্নিত করে শুক্রবার দিনের শুরুতেই শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এদিন মামলাটি গ্রহণের পর শুনানি স্থগিত করে দিয়েছেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ।এদিন বেলা ১১টা নাগাদ কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছিল। জনপ্রতিনিধি আইন অনুযায়ী নির্বাচনী মামলার আবেদনকারীকে আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে বলে জানান বিচারপতি। যেহেতু এই মামলার আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাই আদালতে তাঁকে উপস্থিত থাকতে হত। কিন্তু এদিন তিনি তা না থাকায় সেই নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। আগামী দিনে এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করলে তিনি উপস্থিত থাকতে পারবেন কি না তা এদিন মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবীর কাছে জানতে চান বিচারপতি। জবাবে, মমতার আইনজীবী জানান, যা নিয়ম আছে তা মানা হবে।নিয়ম অনুযায়ী, মামলাটি যেহেতু নির্বাচন সংক্রান্ত, তাই মামলাকারীকে শুনানির সময়ে উপস্থিত থাকতে হয়। না থাকতে পারলে আদালতকে তার উপযুক্ত কারণ জানাতে হয়। কিন্তু তৃণমূল নেত্রীর তরফে এ দিন সেই পদক্ষেপ করা হয়নি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যেয়র আইনজীবী নন্দীগ্রামের গোটা নির্বাচনী পদ্ধতিকে বাতিল ঘোষণা করে পুনর্নির্বাচনের আবেদন জানান আদালতে। তবে, সঠিক প্রক্রিয়া মানার জন্য বিচারপতি কৌশিক চন্দ মামলাকারীকে জানান, আগামী বৃহস্পতিবার ২৪ জুন এই মামলার শুনানি হবে। তবে এদিন বিধানসভার ফল সংক্রান্ত মামলাটি বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে ওঠা নিয়ে প্রতিবাদ জানান আইনজীবীদের একাংশ। তাঁদের দাবি, বিচারপতি কৌশিক চন্দ এক সময় বিজেপির সক্রিয় সদস্য ছিলেন। সেই বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করেন আইনজীবীদের ওই অংশ। তাই আগামী দিনে এই মামলা অন্য কোনও বিচারপতির এজলাসে যাবে নাকি নারদ মামলার মতো বৃহত্তর কোনও বেঞ্চে শুনানি হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে এদিন।

Continue Reading
Advertisement