ইস্ট–ওয়েস্ট মেট্রো ঘিরে কৃতিত্বের লড়াই, বাম থেকে তৃণমূল–কেন্দ্র সব পক্ষের দাবিদাওয়া
Connect with us

ভাইরাল খবর

ইস্ট–ওয়েস্ট মেট্রো ঘিরে কৃতিত্বের লড়াই, বাম থেকে তৃণমূল–কেন্দ্র সব পক্ষের দাবিদাওয়া

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় পরিকাঠামো প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম ইস্ট–ওয়েস্ট মেট্রো (East–West Metro) করিডর নিয়ে ফের শুরু হয়েছে রাজনৈতিক কৃতিত্বের লড়াই। শুক্রবার হাওড়া (Howrah) থেকে শিয়ালদহ (Sealdah) পর্যন্ত রুট চালু হওয়ার আগে সিপিএম (CPIM), তৃণমূল (TMC) ও বিজেপি (BJP)—তিন পক্ষই নিজেদের অবদান তুলে ধরতে শুরু করেছে।

সিপিএমের দাবি, এই ৪,৮৭৪.৫৮ কোটি টাকার প্রকল্প আসলে বাম সরকারের উদ্যোগ। তারা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, ২০০৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (Buddhadeb Bhattacharya) এর হাতেই হয়েছিল শিলান্যাস, যেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি (Pranab Mukherjee) এবং একাধিক বাম নেতা।

অন্যদিকে, তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) বলেছেন, এই প্রকল্পকে নতুন গতি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রেলমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি বুঝেছিলেন, কেন্দ্র–রাজ্য যৌথ মডেলে কাজ এগোলে দশকের পর দশক লেগে যাবে। তাই প্রকল্পকে তিনি নিয়ে আসেন রেল মন্ত্রকের অধীনে। এর ফলে আর্থিক দায় নেয় কেন্দ্র, রাজ্যের কোষাগারে চাপ পড়ে না এবং ভাড়াও তুলনামূলকভাবে কম রাখা সম্ভব হয়।

Advertisement
ads

বিজেপি নেতাদের দাবি ভিন্ন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) জানিয়েছেন, মোদী সরকার না থাকলে এই প্রকল্প দিনের আলো দেখত না। রাজ্যেরই ঢিলেমির কারণে দেরি হয়েছে। অন্যদিকে, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo) জানিয়েছেন, তাঁর তত্ত্বাবধানেই কাজ এগিয়েছে।

প্রকল্পটির মূল চিন্তা ব্রিটিশ আমলেও হয়েছিল বলে ইতিহাসে উল্লেখ আছে। তবে কার্যকর রূপ পায় ২০০০-এর দশকের শুরু থেকে। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক পালাবদলের মধ্যে দিয়ে কাজ এগোল। অবশেষে, মোদী সরকারের আমলে সিংহভাগ কাজ সম্পন্ন হয়ে শুক্রবার যাত্রী পরিষেবায় যুক্ত হতে চলেছে হাওড়া–শিয়ালদহ মেট্রো রুট।

Continue Reading
Advertisement