৬০ হাজার টাকার বেতনে আমেরিকায় পড়াশোনা? অভিজিৎ দীপকের বাবার সম্পত্তি তদন্তের দাবি
Connect with us

দেশের খবর

৬০ হাজার টাকার বেতনে আমেরিকায় পড়াশোনা? অভিজিৎ দীপকের বাবার সম্পত্তি তদন্তের দাবি

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মহারাষ্ট্র সরকারের (Maharashtra Government) এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর আয়ের সঙ্গে তাঁর পরিবারের ব্যয়ের সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে তদন্তের দাবি জানালেন সুরাটের এক আরটিআই (RTI – Right to Information) কর্মী। অভিযোগকারী অমিত তিওয়ারির দাবি, ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবানরাও দীপকে মাসে প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা বেতন পেতেন। সেই আয়ে কীভাবে ছেলের যুক্তরাষ্ট্রে (USA) উচ্চশিক্ষার বিপুল খরচ বহন করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

জানা গিয়েছে, ভগবানরাও দীপকে মহারাষ্ট্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (MIDC)–এ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার (Junior Engineer) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অবসর নেওয়ার আগে তাঁর বেতন ছিল প্রায় ৬০-৬৫ হাজার টাকা। অমিত তিওয়ারি ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র সরকার, নির্বাচন কমিশন (Election Commission) এবং সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস (CBIC)-এর কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, যদি আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ (Disproportionate Assets) সম্পত্তির প্রমাণ মেলে, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

এদিকে, সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টি একটি আইনি সহায়তা তহবিল (Legal Defence Fund) গঠনের ঘোষণা করেছে। সংগঠনের দাবি, বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত ছাত্রছাত্রীদের আইনি লড়াইয়ের খরচ এই তহবিল থেকেই বহন করা হবে। এই তহবিলে ১ কোটি টাকা অনুদানের ঘোষণা করেছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ও আইনজীবী কপিল সিব্বল। সেই অনুদানের বৈধতা এবং এর উপর জিএসটি (GST) প্রযোজ্য কি না, তা-ও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন অমিত তিওয়ারি।

আরটিআই কর্মীর আরও অভিযোগ, ককরোচ জনতা পার্টি এখনও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল (Registered Political Party) নয়। অথচ রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে কার্যকলাপ চালাচ্ছে এবং অনুদান গ্রহণ করছে। তাই জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১ (Representation of the People Act, 1951)-এর ধারা ২৯এ (Section 29A) অনুযায়ী দলটির নিবন্ধন রয়েছে কি না, তা নির্বাচন কমিশনের যাচাই করা উচিত বলে দাবি তাঁর।

Advertisement
ads ads

এছাড়াও, সিজেপি নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের সমালোচনা করে অমিত তিওয়ারি দাবি করেছেন, আন্দোলনটি মূল ইস্যুর বাইরে চলে গিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, সংগঠনের আর্থিক লেনদেন, অনুদানের উৎস এবং আইনগত অবস্থান—সবকিছুই স্বচ্ছভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

Continue Reading
Advertisement ads