নগদ ও সোনা উদ্ধার কাণ্ডে বড় সাফল্য! নেপালে গা-ঢাকা দেওয়ার সময় গ্রেফতার টুলুর ভাগ্নে
Connect with us

ভাইরাল খবর

নগদ ও সোনা উদ্ধার কাণ্ডে বড় সাফল্য! নেপালে গা-ঢাকা দেওয়ার সময় গ্রেফতার টুলুর ভাগ্নে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা (Cash) ও সোনা (Gold) উদ্ধারের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত পাথর ব্যবসায়ী টুলু ওরফে নিজাবুদ্দিন মণ্ডল (Tulu Mondal) এখনও অধরা। তবে তাঁকে খুঁজে বের করার পাশাপাশি তাঁর বেআইনি সম্পত্তি (Illegal Assets) ও আর্থিক লেনদেনের তদন্তে জোরদার অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ (Police)। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই এবার গ্রেফতার করা হয়েছে টুলুর ভাগ্নে শেখ ওয়াসিমকে। অভিযোগ, শিলিগুড়ি হয়ে নেপালে (Nepal) পালানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি। শনিবার রামপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে আদালত তাঁকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

প্রসঙ্গত, এর আগেই সিউড়িতে টুলুর আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে প্রায় ২৮.৫ কোটি টাকা নগদ এবং ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার হয়েছিল। শনিবার তদন্তকারীরা মিনারকে সঙ্গে নিয়ে ফের তাঁর বাড়িতে যান। কোথায় এবং কীভাবে বিপুল পরিমাণ টাকা ও সোনা লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, তার বিস্তারিত স্কেচ (Sketch) ও নকশা তৈরি করা হয়। তদন্তকারীদের সন্দেহ, টুলুর একাধিক আত্মীয়ের মাধ্যমে অর্থ পাচার (Money Laundering) হয়ে থাকতে পারে। সেই সূত্রেই দার্জিলিংয়ের চকবাজার এলাকা থেকে শেখ ওয়াসিমকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের একটি বেআইনি পাথর খাদান (Illegal Stone Quarry) সংক্রান্ত মামলাতেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া নগদ ও সোনার ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে টুলুর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে বীরভূম জেলা প্রশাসন (District Administration)। শনিবার মহম্মদবাজার ও রামপুরহাট এলাকায় মোট ৮টি বেআইনি পাথর খাদান বন্ধের নোটিস জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, টুলুর আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠদের নামে চলা একাধিক খাদানে এই নোটিস টাঙানো হয়েছে। যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতেও একই ধরনের নোটিস দেওয়া হলেও কয়েকটি খাদানে কাজ বন্ধ হয়নি।

তদন্তের আওতায় এসেছে টুলুর পরিবারের আর্থিক লেনদেনও। বিশেষ করে প্রায় এক বছর আগে তাঁর মেয়ে সালমার জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ে নিয়ে নতুন করে খোঁজখবর শুরু হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে টলিউড ও বলিউডের একাধিক তারকার উপস্থিতি এবং বিপুল খরচের উৎস নিয়েও তদন্তকারীরা তথ্য সংগ্রহ করছেন। পাশাপাশি প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত বারিক বিশ্বাসের পরিবারের সঙ্গে এই বিয়ের সম্পর্কও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement
ads ads

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, টুলুর বেআইনি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সমস্ত ব্যক্তি ও সম্পদের উৎস খুঁজে বের করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। টুলু এখনও পলাতক থাকলেও, তাঁর সহযোগী ও আত্মীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তের পরিধি আরও বিস্তৃত করা হচ্ছে।

Continue Reading
Advertisement ads