দেশের খবর
প্রধানমন্ত্রীকে গালিগালাজ বিতর্কে বড় মোড়! মোদীর উদার বার্তার পর প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে ভিডিও তরুণীর
ডিজিটাল ডেস্কঃ দিল্লির যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ও তাঁর প্রয়াত মাকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মন্তব্যের (Abusive Remark) অভিযোগে বিতর্কের মাঝেই সামনে এল নতুন মোড়। শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রী এক ভিডিও বার্তায় (Video Message) জানান, যাঁরা তাঁকে কটূক্তি করেছেন, তাঁদের তিনি ক্ষমা করে দিয়েছেন। তাঁর এই বার্তার কিছুক্ষণের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে (Social Media) একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে, যেখানে এক কিশোরী নিজের বক্তব্যের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছে।
ভিডিওতে ওই কিশোরীর দাবি, আন্দোলনের সময় কয়েকজনের প্ররোচনায় (Provocation) পড়ে সে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করেছিল। নিজেকে ১৫ বছর বয়সি বলে দাবি করে সে জানায়, নিজের আচরণের জন্য সে অনুতপ্ত (Regret) এবং গোটা দেশের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইছে। তবে উল্লেখ্য, ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং দায়ের হওয়া এফআইআরে (FIR) অভিযুক্তের বয়স ২৫ বছর বলে উল্লেখ রয়েছে।
#WATCH | Prime Minister Narendra Modi shared a video on his Instagram handle, in which he says, “Today I just feel like talking to you. The country and the world have witnessed what happened at Jantar Mantar. Some mischievous children used very crude and abusive language, words… pic.twitter.com/HhSPWaFmzz
— ANI (@ANI) July 31, 2026
এর আগে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তির অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ৩৫২, ৩৫৩(১) ও ৩৫৬(১) ধারায় একটি জিরো এফআইআর (Zero FIR) দায়ের করা হয়। পরে তদন্তের স্বার্থে মামলাটি দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় বলেন, তরুণ বয়সে ভুল হতেই পারে। সেই ভুলের জন্য তাঁদের আদালত (Court) বা পুলিশের (Police) জটিলতায় ফেলা সমাধান নয়। বরং সঠিক পথ দেখানোই সমাজের দায়িত্ব। একইসঙ্গে তিনি সমাজের প্রতিও আবেদন জানান, অভিযুক্ত তরুণ-তরুণীদের ক্ষমা করে তাদের ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ দিতে।
অন্যদিকে, এই ঘটনায় বিরোধী রাজনৈতিক দল ও আন্দোলনকারী সংগঠনের একাংশ এফআইআর দায়েরের সমালোচনা করেছে। তাঁদের বক্তব্য, আপত্তিকর ভাষার নিন্দা করা হলেও শুধুমাত্র বক্তব্যের ভিত্তিতে ফৌজদারি মামলা (Criminal Case) করা উচিত কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
