ভাইয়ের অভাব ভুলিয়ে শহিদের স্বপ্নপূরণ করলেন রেজিমেন্টের জওয়ানরা
Connect with us

ভাইরাল খবর

ভাইয়ের অভাব ভুলিয়ে শহিদের স্বপ্নপূরণ করলেন রেজিমেন্টের জওয়ানরা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বোনের বিয়েতে হাজারো আলো, আনন্দ, হাসি… কিন্তু এক অভাব সারাক্ষণ ঘিরে ছিল তাঁকে— শহিদ ভাই আশিস কুমার আর নেই। তবুও, সেই শূন্যতাকে অতিক্রম করে দাঁড়ালেন তাঁরই রেজিমেন্টের সহযোদ্ধারা (comrades of the regiment)

হিমাচলপ্রদেশের (Himachal Pradesh) সিরমৌর জেলার (Sirmaur District) ভরলি গ্রামে (Bharli Village) এমন দৃশ্য দেখল, যা কেবল আবেগ নয়, এক সম্মান আর দায়িত্ববোধের (sense of duty) নজির হয়ে রইল।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে অরুণাচলপ্রদেশের (Arunachal Pradesh) ‘অপারেশন অ্যালার্ট’ (Operation Alert)-এ শহিদ হন 19 Grenadiers Regiment-এর সেনা জওয়ান আশিস কুমার। আর তাঁর বোন আরাধনার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন ছিল এই বিয়ে। ভাইয়ের অভাব অপূরণীয়—কিন্তু তাঁর কমরেডরাই দাঁড়ালেন ভাইয়ের জায়গায়।

বিয়ের দিনে বরযাত্রী থেকে শুরু করে প্রতিটি আচার-অনুষ্ঠানে (wedding rituals) বোনের পাশে ছিলেন আশিসের সহযোদ্ধারা। পাঁওটা ও শিল্লাইয়ের (Paonta & Shillai) প্রাক্তন সেনারাও তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন।

Advertisement
ads

জওয়ানদের হাতেই ছিল ফুলের চাদর (floral canopy), তার নিচ দিয়েই বোন আরাধনাকে পৌঁছে দেওয়া হয় মণ্ডপে। শুধু আনুষ্ঠানিকতায় নয়, ভালোবাসা, স্নেহ, সম্মান ও দায়িত্ববোধে পূর্ণ ছিল প্রতিটি মুহূর্ত।

আরাধনাকে উপহার হিসেবে সেনারা দিয়েছেন একটি ফিক্সড ডিপোজিট (fixed deposit)—যা তাদের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি স্নেহের প্রতীক। অনুষ্ঠান শেষে তাঁরা নিজেরাই কনেকে পৌঁছে দেন শ্বশুরবাড়ি।

এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত আত্মীয়, বরযাত্রী, এমনকি গ্রামবাসীরাও আবেগে ভেসে যান। কেউ চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

এই বিয়ের আসর যেন শুধু একটি বিয়ের অনুষ্ঠান নয়, এক শহিদ সেনার অসমাপ্ত দায়িত্ব পালনের (unfulfilled responsibility) সাক্ষ্য হয়ে রইল।

রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও, এই সম্পর্ক—ভালোবাসা, মর্যাদা আর বোনের প্রতি এক অটুট দায়বদ্ধতার প্রতীক। আশিস হয়তো নেই, কিন্তু তাঁর সহযোদ্ধারা যেন জানিয়ে গেলেন—“আমরা এখনও আছি, তোমার পাশে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement