রাজনীতি
বিহারের শপথ ও মৌনব্রত একই দিনে, রাজনীতিতে নীতীশ-প্রশান্ত কিশোরের আলাদা প্রতিফলন
ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারের রাজনীতি (Bihar Politics) বৃহস্পতিবার ছিল দুই দিকে গুরুত্বপূর্ণ—এক দিকে ঐতিহাসিক শপথের (historic oath) দিন, অন্যদিকে আত্মসমালোচনার (self-reflection)ও। দশমবার মুখ্যমন্ত্রী (CM Bihar) হিসাবে নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) শপথ নেন। ঠিক সেই দিনে ভিটিহারওয়ার গান্ধী আশ্রমে (Gandhi Ashram, Vitihar) জন সুরাজ পার্টির (Jan Suraj Party) প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor) মৌনব্রত (silent fast) পালন করেন।
পি কে জানান, নির্বাচনে একটিও আসন (seat) না পাওয়ার পর তিনি নিজের ব্যর্থতা (failure) বুঝতে ও আত্মপ্রতিফলন (self-introspection) করতে চাইছেন। তিনি বলেন, “ভুল করেছি, কিন্তু অপরাধ (crime) করিনি।” মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি আগেই জানান, ২০ নভেম্বর দিনভর গান্ধীর আশ্রমে উপবাসে থাকবেন।
তিনি আরও বলেন, “গত তিন বছরে যেভাবে কাজ করেছি, তার দ্বিগুণ পরিশ্রম করব। মানুষকে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি—তাদের ভোটের ধরন কেন পরিবর্তন হওয়া উচিত।”
অন্যদিকে, নীতীশের শপথগ্রহণে শক্তি-প্রদর্শন (show of strength) হয় এনডিএর (NDA) পক্ষ থেকে। পটনার ঐতিহাসিক গান্ধী ময়দানে (Gandhi Maidan, Patna) দশমবার শপথ নেন নীতীশ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi), হরিয়ানার সিং সাইনি, আসামের হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, নাগাল্যান্ডের নেইফিউ রিও, অন্ধ্রপ্রদেশের চন্দ্রবাবু নাইডু, উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ এবং উত্তরাখণ্ডের পুষ্কর সিং ধামি। বিহারের গভর্নর আরিফ মোহম্মদ খান ও এলজেপি নেতা চিরাগ পাসওয়ানও উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনে বিজেপি (BJP) ৮৯ আসন ও জেডিইউ (JDU) ৮৫ আসন জিতেছে। জন সুরাজ (Jan Suraj) প্রথমবারের মতো লড়ে একটিও আসন জিততে পারেনি। ফলে প্রশান্ত কিশোর আত্মবিশ্লেষণের পথে (self-reflection) হাঁটছেন, যা তাঁর মৌনব্রতের অংশ।


