বন্দে মাতরমের স্তবক বাদ দেওয়ায় কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী
Connect with us

ভাইরাল খবর

বন্দে মাতরমের স্তবক বাদ দেওয়ায় কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বন্দে মাতরমের ১৫০তম বার্ষিকী (150th Anniversary) উপলক্ষে সোমবার লোকসভায় শুরু হল বিশেষ আলোচনা। আলোচনার সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। তিনি বলেন, ব্রিটিশরা যখন ভারতকে বিভক্ত করার পরিকল্পনা করছিল, তখন বন্দে মাতরম (Vande Mataram)-ই তাঁদের সামনে পাহাড়সম প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই বিষয়ে লোকসভায় মোট ১০ ঘণ্টা (10 Hours) আলোচনা নির্ধারিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) নিয়ে পৃথক আলোচনা করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

বক্তৃতার সময় প্রধানমন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘বঙ্কিমদা (Bankim Da)’ বলে সম্বোধন করেন। এতে আপত্তি জানান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় (Saugata Roy)। তিনি বলেন, “অন্তত বাবু (Babu) বলুন।” জবাবে মোদী সৌগতকে ‘দাদা’ সম্বোধন করে বলেন, “বঙ্কিমবাবু বলছি।”

প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ব্রিটিশরা বাংলা ভাগ (Partition of Bengal) করতে চেয়েছিল কারণ ১৮৫৭-র পর ভারতের জাগরণে বাংলার ভূমিকা ছিল বিস্ময়কর। বাংলার বুদ্ধিবৃত্তি, শক্তি ও প্রেরণাই উপনিবেশবাদীদের ভয় পাইয়ে দিয়েছিল। তাই বাংলাকে পরীক্ষাগার বানিয়ে ‘বিভাজন ও শাসন’ (Divide and Rule) নীতিতে এগিয়েছিল ব্রিটিশরা। ১৯০৫-এ বাংলা বিভাজন করার সময় বন্দে মাতরম ব্রিটিশ বিরোধিতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

Advertisement
ads

১৮৭০-এর দশকে বঙ্কিমচন্দ্র রচিত বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে গত ৭ নভেম্বর একাধিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন মোদী।

এদিন তিনি কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, ১৯৩৭ সালে গানটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তবক বাদ দেওয়া হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, “এই বিভাজনমূলক মানসিকতা দেশভাগের বীজ বপন করেছিল।” যদিও কংগ্রেস সভাপতি পাল্টা দাবি করেন—১৯৮৬ থেকে আজ পর্যন্ত কংগ্রেসের সব বৈঠকেই গর্বের সঙ্গে বন্দে মাতরম গাওয়া হয়। তাঁর কথায়, “এটি দেশমাতৃকার গান, ঐক্যের গান।”