শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মধ্যে অন্যতম বৃক্ক বা কিডনি। কিডনি সুস্থ রাখতে মেনে চলুন সহজ কিছু উপায়
Connect with us

বিবিধ

শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মধ্যে অন্যতম বৃক্ক বা কিডনি। কিডনি সুস্থ রাখতে মেনে চলুন সহজ কিছু উপায়

Dipa Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক , ১৬ জানুয়ারী : মানব দেহের অত্যাবশ্যকীয় অঙ্গের মধ্যে অন্যতম কিডনি বা বৃক্ক। কোনও কারণে কিডনি আক্রান্ত হলে বা কিডনিতে কোনও রকম সংক্রমণ হলে শরীরে একের পর এক নানা জটিল সমস্যা বাসা বাঁধতে শুরু করে। কিডনির যেকোন রোগ নীরব ঘাতক। এই ধরণের রোগের চিকিৎসাও বেশ ব্যয়বহুল। তাই শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আর কিডনি ভাল রাখতে আমাদের কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা উচিৎ। জেনে নিন কিডনি সুস্থ রাখার উপায় –

১) প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস জল বা তরল খাবার খাওয়া উচিত। তবে অতিরিক্ত ঘাম হলে জল পান করার পরিমাণ আরো বাড়াতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করলে কিডনিতে পাথর হয় না এবং এর স্বাভাবিক কার্যক্রম ঠিক থাকে।

২) ধূমপান ও মদ্যপানের কারণে ধীরে ধীরে কিডনিতে রক্ত চলাচল কমে যেতে থাকে এবং এর ফলে কিডনির কর্মক্ষমতাও হ্রাস পায়। ফলে ধূমপায়ী ও মদ্যপায়ী ব্যক্তি একপর্যায়ে গিয়ে কিডনির রোগে আক্রান্ত হয়।

৩) খাবারে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মানুষের শরীরে প্রতিদিন মাত্র ১ চা চামচ লবণের চাহিদা থাকে। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া পরিহার করার অভ্যাস করুন।

Advertisement
ads

৪) উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজন অথবা পরিবারের কারো কিডনি সমস্যা থাকলে কিডনি রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। যাদের কিডনি রোগের ঝুঁকি আছে তাদের অবশ্যই নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানো উচিত।

৫) অনেকেই জলের পরিবর্তে কোমল পানীয় বা বিভিন্ন রকমের এনার্জি ড্রিংকস পান করেন। এ ধরনের পানীয়গুলো কিডনির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন।

৬) কম বেশি প্রায় সব ওষুধই কিডনির জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে ব্যথানাশক ওষুধগুলো কিডনির জন্য সব সময়ই হুমকিস্বরূপ। নিয়ম না জেনে বা নিজে নিজে ওষুধ কিনে খেলে অজান্তেই কিডনির বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই যেকোন ওষুধ খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিতে হবে।

৭) রক্তচাপ ১৪০/৯০ এর উপরে থাকলে কিডনিতে সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। কিডনি ভালো রাখতে রক্তচাপ সবসময় ১৩০/৮০ অথবা এর কম রাখার চেষ্টা করতে হবে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করা ও লবণ কম খাওয়া জরুরী।

Advertisement
ads

৮) কখনওই প্রস্রাব চেপে রাখবেন না। এতে সংক্রমণের (ইনফেকশন) আশঙ্কা থাকে।

Continue Reading
Advertisement