ভোটার তালিকা ত্রুটি রুখতে বিএলও-বিএলএদের নতুন ঘোষণাপত্র
Connect with us

ভাইরাল খবর

ভোটার তালিকা ত্রুটি রুখতে বিএলও-বিএলএদের নতুন ঘোষণাপত্র

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যের এসআইআর (SIR in West Bengal) প্রস্তুতিতে আরও একধাপ কঠোরতা দেখাল নির্বাচন কমিশন (Election Commission/ECI)। মৃত (Dead Voters), ডুপ্লিকেট (Duplicate Voters), স্থানান্তরিত (Shifted Voters) এবং অনুপস্থিত ভোটারদের (Missing Voters) তথ্য যাচাইয়ের জন্য এবার থেকে বিএলও সুপারভাইজার (BLO Supervisor), বিএলও (BLO) এবং বিএলএদের (BLA) নিজেদের দায়িত্বে সই (Signature) করতে হবে একটি বিশেষ ঘোষণাপত্রে। ভুল তথ্য দিলে দায় সম্পূর্ণ তাঁদের ঘাড়েই—এ কথা আগেই স্পষ্ট করেছে কমিশন।

সিইও দফতরের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বুধবার বিকেল পর্যন্ত ৯৮.২১% ফর্ম ডিজিটাইজড (Digitized) হয়েছে। রাজ্যে মৃত ভোটারের সংখ্যা ২৩ লক্ষ ছাড়িয়েছে, অনুপস্থিত বা পাওয়া যায়নি এমন ভোটার ৮ লক্ষের বেশি। স্থায়ীভাবে অন্যত্র সরে যাওয়া ভোটার (Permanently Shifted) সাড়ে ১৭ লক্ষের বেশি এবং ডুপ্লিকেট ভোটার ১.২ লক্ষেরও ওপরে। আপাতত আন-কালেক্টেবল ফর্ম (Uncollectable Forms) রয়েছে ৫০,২২,৪১০।

কমিশন জানিয়েছে, মৃত, খুঁজে না পাওয়া, স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত, পূর্বে এনরোল থাকা—এমন সব ধরনের ভোটারের তথ্য মিলিয়েই আন-কালেক্টেবল হিসেবে ধরা হয়। তবে একাধিক জেলার আপলোড অসম্পূর্ণ থাকায় প্রকৃত সংখ্যা এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। এজন্য কয়েকজন বিএলও-র কাজ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্পেশ্যাল অবজার্ভার সুব্রত গুপ্ত (Subrata Gupta)।

এদিকে, ‘প্রোজেনি ম্যাপিং’ (Progeny Mapping) নিয়ে নতুন করে কঠোরতা আনল কমিশন। যেসব বুথে অস্বাভাবিক হারে প্রোজেনি ম্যাপিং হয়েছে বা অনলাইন ফর্ম জমা বেশি—সেগুলি ফের স্ক্রুটিনির আওতায় আনতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোল অবজার্ভারদের (Roll Observer) বিশেষ নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে।

Advertisement
ads

প্রোজেনি ম্যাপিং কী?
কোনও ভোটারের নাম যদি ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় না থাকে এবং সে বাবা বা ঠাকুরদার নাম দিয়ে ফর্ম পূরণ করিয়ে থাকে—সেটাই প্রোজেনি ম্যাপিং (Progeny Mapping) হিসেবে ধরা হয়।

ভোটার তালিকার নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে কমিশনের এই কড়াকড়িকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Continue Reading
Advertisement