উত্তর দিনাজপুরে ডাবল ট্র্যাজেডি: ছেলের হাতে বাবা খুন, সেই দেহ নিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় আরও ২ জনের মৃত্যু।
Connect with us

উত্তর দিনাজপুর

উত্তর দিনাজপুরে ডাবল ট্র্যাজেডি: ছেলের হাতে বাবা খুন, সেই দেহ নিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় আরও ২ জনের মৃত্যু।

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ শনিবার সন্ধ্যায় উত্তর দিনাজপুরের (North Dinajpur) গোয়ালপোখর থানার ঝাড়বড়ি এলাকায় ঘটল এক মর্মান্তিক (Tragic) ঘটনা। এক পুত্র তার বাবাকে খুন (Murder) করে। সেই খুন হওয়া বাবার দেহ (Body) ময়নাতদন্ত (Post-mortem) করিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে (Faced an accident) পড়ল অ্যাম্বুল্যান্স (Ambulance)। অ্যাম্বুল্যান্সটি একটি বাইকে ধাক্কা মেরে নয়নজুলিতে (Canal/Ditch) পড়ে যায়। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মোট ২ জনের।

শনিবার ভোররাতে গোয়ালপোখরের বাশবাড়ি এলাকার বাসিন্দা জামিল আকতারকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে তাঁর ছেলে মুজাহিদ আলমের বিরুদ্ধে। ৬২ বছর বয়সি জামিল আকতারকে খুনের ঘটনায় মৃতের পরিবার দাবি করেছে যে অভিযুক্ত ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন (Mentally Unstable)। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। খবর পেয়ে গোয়ালপোখর থানার পুলিশ (Police) ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এবং মৃতদেহটি উদ্ধার করে ইসলামপুর মর্গে পাঠায় (Sent)।  অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেপ্তার (Arrested) করা হয়।

তবে এই মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করে ফেরানোর সময়ই দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ময়নাতদন্ত শেষে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গ (Morgue) থেকে মৃতদেহ অ্যাম্বুল্যান্সে করে নিয়ে আসা হচ্ছিল। ঝাড়বাড়ি এলাকায় অ্যাম্বুল্যান্সটি একটি মোটরবাইকের (Motorbike) সঙ্গে ধাক্কা মারে। বাইকটি ধাক্কা লেগে নয়নজুলিতে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তড়িঘড়ি উদ্ধারকাজে (Rescue operation) হাত লাগান। নয়নজুলি থেকে দুই যুবককে উদ্ধার করে স্থানীয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে (Primary Health Centre) নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা (Doctors) তাঁদের মৃত (Dead) বলে ঘোষণা করেন।

Advertisement
ads

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত দুই যুবকের নাম নব পাল ও উৎপল পাল। তাঁদের বাড়ি ঝাড়বাড়ির লাড়ুখোয়া এলাকায়। এই পরপর দু’টি (Two consecutive) মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। পুলিশ মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের (Post-mortem) জন্য ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতাল পাঠিয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত (Investigation) শুরু করেছে গোয়ালপোখর থানার পুলিশ।