কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেও বাড়তি চাপ বিজেপির বেশকিছু দুঃস্থ বিধায়কের কাছে, তবুও টেনেটুনে চলছে খাওয়াদাওয়া
Connect with us

রাজ্যের খবর

কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেও বাড়তি চাপ বিজেপির বেশকিছু দুঃস্থ বিধায়কের কাছে, তবুও টেনেটুনে চলছে খাওয়াদাওয়া

Dipa Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক, ২৪ মে :  বাড়িতে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। এমন অবস্থায় ভোটে দাঁড়িয়ে কপাল খুলেছে বিজেপি বেশকিছু দুঃস্থ প্রার্থীর৷ ভোটে জিতে বিধায়ক হওয়ায় প্রায় প্রত্যকে পেয়েছেন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা। ফলে নিরাপত্তা রক্ষীদের খাওয়া,থাকার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে বিধায়কদেরই৷ আর এতেই টানাটানির সংসারে বাড়তি চাপ হয়ে গিয়েছে একটু৷

কেউ কেউ বাড়িতে রেঁধে খাওয়াচ্ছেন রক্ষীদের৷ দুঃস্থ বিধায়কদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপি-র টিকিটে জেতা শালতোড়ার বিধায়ক গৃহবধূ চন্দনা বাউরি। ঘর সংসার সামলাতে মাঝে মধ্যে রাজমিস্ত্রি স্বামীর সঙ্গে দিনমজুরি কাজও করেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি-র প্রার্থী হওয়ার পরে রাজ্য পুলিশের একজন নিরাপত্তারক্ষী পেয়েছিলেন। আর বিধায়ক হতেই বাঁকুড়ার কেলাই গ্রামের বাড়িতে এসেছেন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ৪ জওয়ান। মাটির বাড়িতে নিজেই রান্না করে খাওয়াচ্ছেন ৫ নিরাপত্তা রক্ষীকে। পাশাপাশি জওয়ানদের থাকার জন্য একজনের নির্মীয়মাণ বাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই অবস্থা কোচবিহারের তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতি রাভা রায়। সংসার বড় হয়ে গিয়েছে। গৃহবধূ মালতি বিধায়ক হওয়ার পরে নিরাপত্তার জন্য ৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান পেয়েছেন। মালতি জানিয়েছেন, দোতলা বাড়ির একতলাটা ভাড়া দেওয়া আছে। ছেলে ও স্বামীকে নিয়ে থাকেন দোতলায়। মালতি বলেন, ‘‘আপাতত একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে জওয়ানদের থাকার ব্যবস্থা করেছি। খুব তাড়াতাড়ি ভাড়াটে উঠে যাবেন। তখন ওঁদের বাড়িতে নিয়ে আসব।’’ জওয়ানদের জন্য আলাদা রান্নার গ্যাসের সংযোগ যতদিন না হচ্ছে ততদিন একসঙ্গেই চলছে খাওয়া দাওয়া। মালতি স্বীকার করলেন, ‘‘একটু তো চাপ হচ্ছেই। প্রায় একই রকম অবস্থা মালদহের গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মনের। বেসরকারি বিমা সংস্থার কর্মী চিন্ময় আপাতত ছুটিতে আছেন। বিধায়ক হওয়ার পরে সেই কাজ করার সময় আর পাবেন কিনা চিন্তায় আছেন। তিনিও পেয়েছেন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা। বাড়িতে অতিথি ৪ জওয়ান। থাকার জন্য একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন। তবে সেই বাবদ খরচের জন্য পাশে পেয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতাদের। খাওয়া দাওয়ার দায়িত্ব অবশ্য নিজেই সামলাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন চিন্ময়। তিনি বলেন, ‘‘জওয়ানরা সবে এসেছেন। রান্নার ব্যবস্থা যত দিন না হচ্ছে তত দিন তো আমাকেই ব্যবস্থা করতে হবে।’’ তবে সব বিধায়কেরই এক কথা, টানাটানির সংসারে টানাটানি যতই বাড়ুক দলের নির্দেশ তো মানতেই হবে।

Continue Reading
Advertisement