নবান্ন অভিযানে ব্যারিকেড ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি | Dorina Crossing-এ শুভেন্দু অধিকারী
Connect with us

রাজ্যের খবর

নবান্ন অভিযানে ব্যারিকেড ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি | Dorina Crossing-এ শুভেন্দু অধিকারী

Dipa Chakraborty

Published

on

রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের উত্তাপ ছড়াল নবান্ন অভিযান (Nabanna Abhijan) ঘিরে। শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পুলিশি কড়াকড়ি থাকলেও, উত্তেজনা চরমে ওঠে যখন বিক্ষোভকারীরা ইট দিয়ে ব্যারিকেডের তালা ভেঙে ফেলেন। হাতে জাতীয় পতাকা (National Flag) নিয়ে তারা স্লোগান তুলতে থাকেন।

পুলিশ মাইক হাতে ঘোষণা করে— “আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না”— কিন্তু তাতে কর্ণপাত না করে বিক্ষোভকারীরা রেলিংয়ে লাথি মারেন, বোতল ও প্ল্যাকার্ড ছুঁড়ে মারেন পুলিশ বাহিনীর দিকে। এমনকি অন্তত দু’জন ব্যারিকেডে উঠে দাঁড়িয়ে পুলিশের দিকে বোতল নিক্ষেপ করেন। পুলিশ পক্ষ ড্রোন (Drone) দিয়ে নজরদারি চালায়। এদিকে সাঁতরাগাচিতে পুলিশের উদ্দেশে জুতো ও টাকা দেখানোর ঘটনাও ঘটেছে।

ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি একদল বিধায়ককে নিয়ে বিধানসভা গেটে পৌঁছন, এরপর ডোরিনা ক্রসিং (Dorina Crossing) পর্যন্ত পদযাত্রার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। রাস্তাজুড়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, স্লোগান ও উত্তেজনায় পরিবেশ তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে RAF মোতায়েন করা হয়।

শুক্রবার রাজপথে এই উত্তেজনার পাশাপাশি আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ কাণ্ডের প্রতিবাদে ফের মিছিল করেন জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctors)। কলেজ স্ট্রিট থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত মিছিল শেষে শ্যামবাজারে রাতভর অবস্থান-বিক্ষোভে যোগ দেন নির্যাতিতার বাবা-মা।

Advertisement
ads

প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে— নবান্ন বা কালীঘাট অভিযানের অনুমতি নেই। পুলিশ বিকল্প হিসেবে বিক্ষোভের জন্য দুটি জায়গা নির্ধারণ করেছে— সাঁতরাগাচি বাসস্ট্যান্ড (Santragachi Bus Stand) ও রানি রাসমণি চত্বর (Rani Rashmoni Square)। শান্তিপূর্ণ ও আইন মেনে এই স্থানগুলোতেই কর্মসূচি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছর ৮ অগাস্ট গভীর রাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে এক তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘটে। পরদিন তা প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এবারে ঘটনার এক বছর পূর্তিতে ফের দেশজুড়ে প্রতিবাদের ডাক দেওয়া হয়েছে।

Continue Reading
Advertisement