নিয়োগ দুর্নীতির সব ক’টি মামলাতেই জামিন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মুক্তি কি এবার?
Connect with us

ভাইরাল খবর

নিয়োগ দুর্নীতির সব ক’টি মামলাতেই জামিন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মুক্তি কি এবার?

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এর ফলে এখন পর্যন্ত নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত সমস্ত মামলায় জামিন পেয়ে গিয়েছেন তিনি। তবে এই জামিন পাওয়ার অর্থ তিনি অবিলম্বে জেল (Jail) থেকে মুক্তি পাচ্ছেন—তা এখনই নিশ্চিত নয়।

শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন মঞ্জুর করেন। ইতিমধ্যেই অন্যান্য মামলাগুলিতে তিনি জামিনে রয়েছেন। এখন এই মামলারও জামিন পাওয়ায়, সবকটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন।

তবে হাই কোর্ট তার জামিনে বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাসপোর্ট (Passport) আদালতে জমা দিতে হবে। তদন্তকারী আধিকারিকের (Investigating Officer) সঙ্গে মাসে একবার দেখা করতে হবে এবং তিনি নিম্ন আদালতের নির্ধারিত এলাকা ছাড়তে পারবেন না।

যদিও জামিন মঞ্জুর হলেও এখনও জেলমুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। কারণ, নিয়োগ দুর্নীতির আরেক মামলায় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) চার্জ গঠন ও সাক্ষ্যগ্রহণের নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ১৮ আগস্টের রায়ে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, এক মাসের মধ্যে চার্জ গঠন এবং দুই মাসের মধ্যে সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পূর্ণ করতে হবে।

Advertisement
ads

জানা গেছে, মামলার আটজন সাক্ষীর (Witness) মধ্যে তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে, কিন্তু বাকি পাঁচজনের সাক্ষ্য এখনও বাকি। সেই প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মুক্তি মিলবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি (ED) অভিযান চালিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্ধার করে। এরপর দু’জনকেই গ্রেফতার করে ইডি। পরে সিবিআই (CBI) তদন্তে গ্রেপ্তার হন পার্থ। সেই থেকে তিনি প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বন্দি ছিলেন।

বারবার স্বাস্থ্যগত কারণে জামিনের আবেদন করলেও একাধিক মামলার কারণে জেলমুক্তি সম্ভব হয়নি। তবে এবার সব মামলায় জামিন পেলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, যদিও আদালতের সময়সীমা ও সাক্ষ্যগ্রহণের অগ্রগতি তাঁর মুক্তির পথকে নির্ধারণ করবে।

Advertisement
ads