যন্তর মন্তরে প্রতিবাদের আড়ালে বড় ষড়যন্ত্র! ছাত্র আন্দোলনের ভিড়ে ফেস ট্র্যাকিংয়ে চিহ্নিত ২৫০০ দাগি অপরাধী 
Connect with us

দেশের খবর

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদের আড়ালে বড় ষড়যন্ত্র! ছাত্র আন্দোলনের ভিড়ে ফেস ট্র্যাকিংয়ে চিহ্নিত ২৫০০ দাগি অপরাধী 

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দিল্লির যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) চলা পড়ুয়াদের আন্দোলন ঘিরে বড় দাবি করল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। পুলিশের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের ভিড়ে মিশে দাগি অপরাধীরা (Criminals) অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম (Facial Recognition System-FRS) ব্যবহার করে গত ২১ থেকে ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে ২,৫০০-রও বেশি অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।

পুলিশ সূত্রের দাবি, ২০ জুলাই ‘সংসদ চলো’ (Parliament March) কর্মসূচির সময় সংঘর্ষ এবং হিংসার ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করতে যন্তর মন্তরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও প্রস্থানপথে চারটি এফআরএস (FRS) ইউনিট বসানো হয়। এই ইউনিটগুলি সরাসরি দিল্লি পুলিশের কেন্দ্রীয় ডেটাবেস (Database)-এর সঙ্গে সংযুক্ত এবং রিয়েল-টাইমে (Real-Time) নজরদারি চালায়।

দিল্লি পুলিশের অভিযোগ, কিছু দুষ্কৃতী সাধারণ বিক্ষোভকারীদের ভিড়ে মিশে নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে ছুরি (Knife) ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র (Sharp Weapons) নিয়ে হামলা চালাচ্ছে। এফআরএস প্রযুক্তির মাধ্যমে ওয়ান্টেড (Wanted) এবং অভ্যাসগত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় মোট ১৫টি এফআইআর (FIR) দায়ের হয়েছে। পুলিশকর্মীদের উপর হামলা, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং হিংসার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানানো হয়েছে।

Advertisement
ads ads

উল্লেখ্য, সর্বভারতীয় পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, বিশেষ করে নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র নেতৃত্বে যন্তর মন্তরে আন্দোলন চলছে। আন্দোলনকারীদের অন্যতম দাবি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার।

দিল্লি পুলিশের দাবি অনুযায়ী, এই নজরদারির উদ্দেশ্য সাধারণ আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করা নয়, বরং অপরাধমূলক অতীত থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা। তবে আন্দোলন ঘিরে এই বিস্ফোরক দাবি নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Continue Reading
Advertisement ads