দেশের খবর
প্রয়াত পদ্মবিভূষণ পাণ্ডবণী গায়িকা তিজান বাঈ! লোকশিল্পের নক্ষত্রপতনে গভীর শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারতীয় লোকসংস্কৃতির (Folk Culture) এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের পতন। পদ্মবিভূষণ (Padma Vibhushan) সম্মানপ্রাপ্ত কিংবদন্তি পাণ্ডবণী (Pandavani) শিল্পী তিজান বাঈ (Teejan Bai) রবিবার রায়পুরের (Raipur) অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (AIIMS)-এ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় (Age-related illness) ভুগছিলেন তিনি। শিল্পীর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister)।
सुप्रसिद्ध पंडवानी गायिका तीजन बाई जी के निधन से अत्यंत दुख हुआ है। उन्होंने छत्तीसगढ़ की इस लोक कला को अपनी भव्य प्रस्तुति से दुनियाभर में एक विशिष्ट पहचान दिलाई। उनका जाना कला एवं संस्कृति जगत के लिए एक अपूरणीय क्षति है। शोक की इस घड़ी में मेरी संवेदनाएं उनके परिजनों और…
— Narendra Modi (@narendramodi) July 5, 2026
তিজান বাঈয়ের মৃত্যু শুধু একজন শিল্পীর বিদায় নয়, বরং ভারতীয় লোকঐতিহ্যের এক গৌরবময় অধ্যায়ের সমাপ্তি। মাত্র ১৩ বছর বয়সে প্রথম মঞ্চে পাণ্ডবণী পরিবেশন করেন তিনি। সেই সময় নারীরা মূলত ‘বেদমতী’ রীতিতে বসে গান গাইলেও তিজান বাঈ সাহসিকতার সঙ্গে ‘কাপালিকা’ রীতি গ্রহণ করেন। হাতে তানপুরা (Tanpura) নিয়ে মহাভারতের (Mahabharata) কাহিনি নাটকীয় ভঙ্গিতে পরিবেশন করে তিনি পাণ্ডবণীকে বিশ্বদরবারে বিশেষ পরিচিতি এনে দেন।
ছত্তিসগড়ের (Chhattisgarh) দুর্গ জেলার গানিয়ারি গ্রামে জন্মগ্রহণ করা তিজান বাঈ দেশের পাশাপাশি বিদেশেও অসংখ্য মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন। তাঁর শিল্পসাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮৭ সালে পদ্মশ্রী (Padma Shri), ২০০৩ সালে পদ্মভূষণ (Padma Bhushan) এবং ২০১৯ সালে পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। এছাড়াও তিনি জাপানের (Japan) মর্যাদাপূর্ণ ফুকুওকা আর্টস অ্যান্ড কালচার প্রাইজ (Fukuoka Prize) লাভ করেন।
তাঁর প্রয়াণে সাংস্কৃতিক মহলে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। ভারতীয় লোকসংগীত ও পাণ্ডবণী শিল্পে তাঁর অবদান আগামী প্রজন্মের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
