‘ED-র ভয়ে কালো ধন লুকানো হতো স্কুলে’! স্কুলের সিক রুমে উদ্ধার কোটি টাকা ও কন্ডোমের প্যাকেট
Connect with us

ভাইরাল খবর

‘ED-র ভয়ে কালো ধন লুকানো হতো স্কুলে’! স্কুলের সিক রুমে উদ্ধার কোটি টাকা ও কন্ডোমের প্যাকেট

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) কাঁচরাপাড়ার (Kanchrapara) একটি বেসরকারি স্কুলে (Private School) পুলিশি তল্লাশিতে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ (Cash)। বুধবার গভীর রাতে বীজপুর থানার (Bijpur Police Station) পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ফোরম্যান কলোনি এলাকার হারনেট বিদ্যালয়ে (Harnett School) অভিযান চালায়।

রাতভর তল্লাশির পর বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের তালাবন্ধ একটি ঘর থেকে উদ্ধার হয় ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। এত বিপুল পরিমাণ অর্থ গণনার জন্য তিনটি নোট কাউন্টিং মেশিন (Note Counting Machine) ব্যবহার করতে হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) নিরাপত্তায় ভোর পর্যন্ত চলে টাকা গণনার কাজ। শুধু নগদ অর্থই নয়, তল্লাশির সময় স্কুলের সিক রুম (Sick Room)-এর একটি আলমারি থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক কন্ডোম (Condom) প্যাকেটও। এই ঘটনায় বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার পর স্কুলের কোষাধ্যক্ষ (Treasurer) অভীক নাথ এবং সহকারী হিসাবরক্ষক (Assistant Accountant) সায়ন ঘোষকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, বিদ্যালয়ে এত বিপুল নগদ অর্থ কেন রাখা হয়েছিল এবং কেন তা ব্যাঙ্কে জমা দেওয়া হয়নি, তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা মেলেনি।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাস ও স্থানীয়দের দাবি, উদ্ধার হওয়া অর্থ স্কুলের নয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED) বা সিবিআইয়ের (CBI) ভয়ে কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কমল অধিকারী, সুবোধ অধিকারী এবং ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিকের ‘কালো টাকা’ (Black Money) এই স্কুলে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। যদিও এই বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

অন্যদিকে, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিকাশচন্দ্র পালের দাবি, উদ্ধার হওয়া অর্থ ছাত্রভর্তির ফি (Admission Fee) বাবদ জমা পড়া টাকা। যদিও স্থানীয় বিধায়ক সুদীপ্ত দাস দাবি করেছেন, এই অর্থ বিদ্যালয়ের নয় এবং বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। বর্তমানে পুলিশ উদ্ধার হওয়া অর্থের উৎস, আর্থিক অনিয়ম (Financial Irregularities) এবং অন্যান্য সম্ভাব্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Advertisement
ads

 

Continue Reading
Advertisement