ভাইরাল খবর
ককরোচ জনতা পার্টির পর এবার E20 জনতা পার্টি! ১০০% বিশুদ্ধ পেট্রলের দাবি, ইথানল নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়
ডিজিটাল ডেস্কঃ NEET প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে আলোচনায় আসা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র পর এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘E20 জনতা পার্টি’। ইথানল (Ethanol) মিশ্রিত E20 পেট্রল (Petrol)-এর বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই অনলাইন (Online) প্রচার ইতিমধ্যেই দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত ইনস্টাগ্রামে (Instagram) তাদের অনুসরণকারীর সংখ্যা ২ লক্ষ ১৮ হাজারেরও বেশি।
এই নাগরিক উদ্যোগের মূল দাবি, সাধারণ মানুষকে ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ (Unblended) পেট্রল কেনার বিকল্প দেওয়া হোক। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করির পদত্যাগের দাবিও তুলেছে সংগঠনটি। তবে তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, E20 জ্বালানি সম্পূর্ণ তুলে দেওয়ার দাবি নয়, বরং গ্রাহকদের নিজের পছন্দ অনুযায়ী জ্বালানি বেছে নেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য।
বর্তমানে দেশে বিক্রি হওয়া অধিকাংশ পেট্রলই E20, অর্থাৎ এতে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানো থাকে। কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, এই জ্বালানি পরিবেশবান্ধব (Eco-friendly), জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমায় এবং আমদানি ব্যয়ও হ্রাস করে।
অন্যদিকে, E20-এর বিরোধীদের অভিযোগ, এই জ্বালানি ব্যবহারে অনেক ক্ষেত্রে গাড়ির মাইলেজ (Mileage) কমে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদে ইঞ্জিন (Engine) ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, বিশেষ করে পুরনো যানবাহনের ক্ষেত্রে। যদিও কেন্দ্র জানিয়েছে, E20 ইঞ্জিনের ক্ষতি করে—এমন কোনও নিশ্চিত বৈজ্ঞানিক (Scientific) প্রমাণ এখনও মেলেনি। তবে E10 উপযোগী গাড়িতে সামান্য মাইলেজ কমতে পারে বলেও সরকার স্বীকার করেছে।
এদিকে, আম আদমি পার্টি (AAP) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালও ইথানল নীতি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে ১ আগস্ট আন্দোলনের ঘোষণা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষ জ্বালানির খরচ ও গাড়ির কার্যক্ষমতা নিয়ে সমস্যার মুখে পড়ছেন।
ককরোচ জনতা পার্টির ডিজিটাল আন্দোলনের সাফল্যের পর E20 জনতা পার্টির দ্রুত উত্থান সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন নাগরিক প্রচারের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে কেন্দ্র এখনও E20 নীতি থেকে সরে আসার কোনও সম্ভাবনার কথা জানায়নি।
