"নির্বাচন কমিশন কি নির্যাতন কমিশন?" এসআইআর ইস্যুতে তোপ দাগলেন মহম্মদ সেলিম
Connect with us

রাজনীতি

“নির্বাচন কমিশন কি নির্যাতন কমিশন?” এসআইআর ইস্যুতে তোপ দাগলেন মহম্মদ সেলিম

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে (Assembly Election) সামনে রেখে সোমবার কলকাতায় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসল নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ফুল বেঞ্চ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা এদিন বিজেপি (BJP) ও সিপিএমের (CPIM) অভিযোগ ও প্রস্তাবগুলি গুরুত্ব সহকারে শোনেন।

বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তাঁরা নির্বাচন কমিশনের কাছে ২০২১ সালের ৭-৮ দফায় ভোট করানোর দাবি থেকে সরে এসে এবার বিজেপি মাত্র ১ বা ২ দফায় ভোট করানোর আর্জি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, রাজ্য পুলিশ যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (CAPF) ব্যবহার করে তাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে না। এছাড়া, বুথ স্তরে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য সরকারি কর্মীদের ৫০:৫০ অনুপাতে নিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিজেপি প্রতিনিধিরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন’ ভোট লুঠের কাজে লিপ্ত থাকে, তাই নির্বাচনের সময় এই সংস্থার অফিস সিল (Seal) করে দেওয়া উচিত।

অন্যদিকে, সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম এসআইআর (SIR) ইস্যুতে কমিশনের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়ে কীভাবে ভোটার তালিকা (Voter List) হতে পারে? তাঁর মতে, কমিশন এখন ‘নির্যাতন কমিশন’-এ পরিণত হয়েছে। বামেদের অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই বহু ভোটারের নাম ডিলিট করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে ওয়েবক্যাম (Webcam) স্থাপন এবং চুক্তিবদ্ধ শিক্ষকদের পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ না করার দাবিও এদিন জোরালোভাবে উঠেছে। সংবেদনশীল (Sensitive) বুথ চিহ্নিত করা এবং ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরির আশ্বাস দিয়েছেন কমিশনাররা।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement