যুবভারতী কাণ্ডে গ্রেফতার বেড়ে ৬, আজই ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল
Connect with us

কলকাতা

যুবভারতী কাণ্ডে গ্রেফতার বেড়ে ৬, আজই ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মেসির কলকাতা সফর (Messi in Kolkata) ঘিরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে (Yuba Bharati Krirangan) যে বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে, সেই মামলায় গ্রেফতার হল আরও এক যুবক। ধৃতের নাম রূপক মণ্ডল। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার দিন তিনি দর্শকাসনে (Gallery) বসেছিলেন। পরে মেসিকে সামনে থেকে দেখতে না পেয়ে উত্তেজিত হয়ে ভাঙচুরে জড়িয়ে পড়েন। এই নিয়ে যুবভারতীকাণ্ডে মোট গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬।

লিওনেল মেসির (Lionel Messi) সফরকে ঘিরে শনিবার সকাল থেকেই যুবভারতীতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। মাঠে (Ground) মেসির উপস্থিতি নিয়ে হইচই চললেও, আর্জেন্তিনার তারকা মাঠ ছাড়ার পর পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। গ্যালারি থেকে মাঠে ছোড়া হয় জলের বোতল (Water Bottle), ছিঁড়ে ফেলা হয় ব্যানার ও ফেস্টুন (Banner & Festoon)। অভিযোগ, নিরাপত্তা (Security) ও দর্শক ব্যবস্থাপনায় একাধিক ঘাটতি ছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের জেরা করে তদন্ত আরও জোরদার করা হচ্ছে। শতদ্রু দত্তের সংস্থার কয়েকজন কর্তা ছাড়াও, যুবভারতীতে দায়িত্বে থাকা বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের তলব করা হয়েছে। মোট ছ’জনকে মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। টিকিট বিতরণ (Ticket Distribution), জলের বোতল সরবরাহ ও ভিড় নিয়ন্ত্রণে (Crowd Management) কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মেসিকে কলকাতায় আনার মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে আগেই কলকাতা বিমানবন্দর (Kolkata Airport) থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে বিধাননগর মহকুমা আদালত (Bidhannagar Sub-Divisional Court) তাঁকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠায়।

Advertisement
ads

ঘটনার পর রাজ্য সরকার কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, বিধাননগর পুলিশ কমিশনার মুকেশ কুমার ও ক্রীড়া দফতরের সচিব রাজেশ কুমার সিনহাকে শোকজ করা হয়েছে। বিধাননগরের ডেপুটি কমিশনার অনীশ সরকারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং যুবভারতীর সিইও দেবকুমার নন্দনকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পুরো ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট (SIT) গঠন করা হয়েছে। আজই সিটের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবেন। দলে রয়েছেন দক্ষিণবঙ্গের ডিজি সুপ্রতিম সরকার, আইপিএস পীযূষ পাণ্ডে, কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান মুরলীধর শর্মা ও এডিজি জাভেদ শামিম।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement