কাশ্মীর ও মথুরায় ৭৫ সেনাকর্তার পাকিস্তানের সঙ্গে সন্দেহজনক যোগাযোগ: আইবি তদন্তে চাঞ্চল্য
Connect with us

দেশের খবর

কাশ্মীর ও মথুরায় ৭৫ সেনাকর্তার পাকিস্তানের সঙ্গে সন্দেহজনক যোগাযোগ: আইবি তদন্তে চাঞ্চল্য

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কাশ্মীর (Kashmir) ও মথুরার (Mathura) সেনা ছাউনিতে (Cantonment) কর্মরত ৭৫ জন সেনাকর্তা (Army Officers) পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন—এমনই বিস্ফোরক তথ্য সামনে এনেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (Intelligence Bureau/IB)। সূত্রের খবর, ওই সেনাকর্তারা নীচুতলার হলেও তাদের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তথ্য সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রতিরক্ষা মহলে।

এই সেনাকর্তাদের নাম ইতিমধ্যেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defence Ministry) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে (Home Ministry) পাঠিয়েছে আইবি। পাশাপাশি সেনার নিজস্ব গোয়েন্দা শাখাকেও (Military Intelligence) নামগুলি জানানো হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে—কেন এতজন ভারতীয় সেনা কর্মী পাকিস্তানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন? গোয়েন্দা সংস্থা মনে করছে বিষয়টি খতিয়ে দেখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, সেনাকর্তাদের সঙ্গে পাকিস্তানি এজেন্টরা যোগাযোগ রাখছে হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp)-এর মাধ্যমে। আশ্চর্যের বিষয়, ব্যবহৃত সিমকার্ডটি (SIM Card) ভারতীয়। জানা গিয়েছে, এক নেপালি (Nepali) নাগরিকের মাধ্যমে ওই সিম পাক হ্যান্ডলারদের হাতে আসে। এই ‘ভারতীয় নম্বর’ ব্যবহার করেই তারা ভারতীয় সেনাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বলে সন্দেহ।

প্রাথমিক তদন্তে এখনও পর্যন্ত কোনও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র বা রাষ্ট্রদ্রোহমূলক (Anti-national) কার্যকলাপের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে জম্মু-কাশ্মীরের মতো স্পর্শকাতর এলাকায়, যেখানে প্রায়শই ভারত-পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ হয়, সেখানে posted সেনাকর্তাদের এমন যোগাযোগ গোয়েন্দাদের চিন্তায় ফেলেছে।

Advertisement
ads

তদ্ব্যতীত, মথুরার মতো ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত সেনা ছাউনিতে পাক গোয়েন্দাদের তৎপরতাও যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আইবি-র মতে, বিষয়টি বিশদে তদন্তের জন্য একটি যৌথ তদন্ত কমিটি (Joint Investigation Committee) গঠন করা প্রয়োজন, যাতে সেনা গোয়েন্দা সংস্থার (Military Intelligence) সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকবে।

প্রসঙ্গত, ভারতীয় সেনাবাহিনীতে (Indian Army) পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Espionage) অভিযোগে প্রায় প্রতি বছর এক-দুজন সেনাকর্মী চিহ্নিত হন। প্রমাণ পাওয়ার পর তাদের কোর্ট মার্শাল (Court Martial) করে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় এবং বিচার ব্যবস্থার (Judicial System) হাতে তুলে দেওয়া হয়।

তবে এবার যেহেতু সংখ্যাটা ৭৫, তাই গোটা ঘটনাকেই গভীরভাবে বিশ্লেষণ করছে দেশের গোয়েন্দা মহল।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement