বাংলাদেশ
বাংলাদেশে দুর্গাপুজো মণ্ডপে অসুরের মুখে দাড়ি নিয়ে বিতর্ক, তদন্তে ইউনুস প্রশাসন
বাংলাদেশে প্রায় আটশো দুর্গাপুজো মণ্ডপে অসুরের মুখে দাড়ি লাগানোর ঘটনায় তীব্র বিতর্ক। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দাবি, ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টির চক্রান্ত ছিল এর পেছনে। পুলিশের জিডি ও তদন্ত শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশে (Bangladesh) দুর্গাপুজোর (Durga Puja) মণ্ডপগুলিতে অসুরের মুখে দাড়ি (Beard on Demon Face) সংযোজনকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা (Home Affairs Adviser) জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী (Jahangir Alam Chowdhury) রবিবার জানান, দেশের প্রায় আটশো (800) মণ্ডপে এই ঘটনা ঘটেছে।
ঢাকায় (Dhaka) আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটি (Core Committee) বৈঠক শেষে সচিবালয়ে (Secretariat) আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, এই ঘটনায় প্রশাসনের ধারণা অনুযায়ী, কিছু ‘ফ্যাসিস্ট বুদ্ধিজীবী (Fascist Intellectuals)’ এবং তাদের সহযোগীরা ইন্ধন জুগিয়েছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয় বিভেদ (Religious Division) ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা (Communal Tension) সৃষ্টি করে দেশে সহিংসতা (Violence) ছড়ানো।
তিনি আরও জানান, দেশের ৭৯৩টি মণ্ডপে (Pandals) অসুরের মুখে দাড়ি লাগানোর তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিটি ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ জিডি (GD) করেছে এবং তদন্ত (Investigation) শুরু হয়েছে।
জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী বলেন, “এই গোষ্ঠীর পরিকল্পনা ছিল দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা তৈরি করা, কিন্তু প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় সেই চক্রান্ত সফল হয়নি।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, গতবারের মতো এবারও দুর্গাপুজো শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর (Law Enforcement Agencies) তৎপরতা ও গোয়েন্দা নজরদারির কারণে কোনও অশান্তি ঘটেনি।
অন্যদিকে, খাগড়াছড়ি (Khagrachari) ধর্ষণ সংক্রান্ত আলোচনার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মেডিক্যাল রিপোর্টে (Medical Report) ধর্ষণের কোনও প্রমাণ (No Evidence of Rape) মেলেনি। সেনাবাহিনী (Army) ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে, এবং সেখানে ১৪৪ ধারা (Section 144) তুলে নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে পাহাড়ের (Hill Area) পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বলেই জানান তিনি।
সাংবাদিক বৈঠকে আরও জানানো হয়, কোর কমিটির আলোচনায় জাতীয় নির্বাচন (National Election), চাকসু-রাকসু (Chakshu & Rakshu) নির্বাচন, রোহিঙ্গা (Rohingya) ইস্যু, লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার (Recovered Arms), মাদক (Drugs), চুরি (Theft), ছিনতাই (Snatching) ও চাঁদাবাজি (Extortion) নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
