দেশ চালিয়ে এবার ফ্যাশন স্টোরের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর প্রধানমন্ত্রী? ভিডিও দেখে চমকে উঠছেন সবাই
Connect with us

দেশের খবর

দেশ চালিয়ে এবার ফ্যাশন স্টোরের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর প্রধানমন্ত্রী? ভিডিও দেখে চমকে উঠছেন সবাই

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দিল্লির লাজপত নগর (Lajpat Nagar)-এর একটি মহিলা ফ্যাশন স্টোর (fashion store) ‘আয়শা মায়শা’ (Ayesha Mysha) সম্প্রতি তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছে। কারণ—একটি বিজ্ঞাপন ভিডিও (promotional video) যেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) স্বয়ং সেই স্টোরে উপস্থিত হয়ে ঘুরে ঘুরে মহিলাদের পোশাক ও পণ্য (women’s fashion products) দেখছেন। কিন্তু আসল সত্যিটা অন্য—পুরো ভিডিওটি তৈরি হয়েছে এআই (AI – Artificial Intelligence)-এর মাধ্যমে।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী মোদীর মতো দেখতে একজন ব্যক্তি গাড়ি থেকে নেমে দোকানে ঢুকছেন, স্টোরের এক ব্যক্তির সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন (handshake), এবং নানা মহিলাদের পোশাক দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন। প্রথম দেখায় ভিডিওটি এতটাই বাস্তব মনে হবে যে অনেকেই বুঝতেই পারেননি এটি একটি কৃত্রিম ভিডিও (AI-generated video)।

Advertisement
ads

আইনি ও নৈতিক বিতর্ক

ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (viral on social media) হওয়ার পর শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া।
অনেক নেটিজেন (netizens) এই উদ্যোগকে ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং (creative marketing) বলে প্রশংসা করলেও, অধিকাংশ মানুষ ও আইন বিশেষজ্ঞরা (legal experts) প্রশ্ন তুলেছেন এর আইনগত বৈধতা (legal validity) নিয়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মুখমণ্ডল ও কণ্ঠস্বর (likeness and voice) ব্যবহার করে কোনও বাণিজ্যিক প্রচার (commercial promotion) নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত হওয়া উচিত, যদি তাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুমতি না থাকে (without consent)।

এই ভিডিও ঘিরে একটি বড় প্রশ্ন উঠে এসেছে—AI ভিডিওতে বাধ্যতামূলক ওয়াটারমার্ক (mandatory watermark on AI content) বা ডিসক্লেমার (disclaimer) থাকা উচিত কি না। অনেকেই মনে করছেন, এ ধরনের ভিডিওর উপরে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকা উচিত যে এটি বাস্তব নয়

Advertisement
ads

AI প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ ও বিপদ

এই ঘটনা আবারও দেখিয়ে দিল, AI প্রযুক্তির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার (unregulated use of AI) কীভাবে ভুয়ো ধারণা (misleading perception) তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যখন কোনও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব (public figure)-এর চেহারা ও আচরণ (visual and behavioral likeness) ডিপফেইক ভিডিও (deepfake video)-র মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়, তখন তা আইনি ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ (legal and ethical perspective)-থেকে বিপজ্জনক হতে পারে।

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজন আইনি কাঠামোর উন্নয়ন (stronger legal framework)। এখনই না ভাবলে ভবিষ্যতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক স্তরে।

Continue Reading
Advertisement