মুখ্যমন্ত্রীর সফরের পরই রামকৃষ্ণ সেতুর ধস! নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণে বড় প্রশ্নচিহ্ন
Connect with us

দুর্ঘটনা

মুখ্যমন্ত্রীর সফরের পরই রামকৃষ্ণ সেতুর ধস! নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণে বড় প্রশ্নচিহ্ন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ আরামবাগে ফের বড়সড় সেতু বিপর্যয়। মধ্যরাত পেরোতেই (Saturday midnight) দ্বারকেশ্বর নদীর উপর থাকা রামকৃষ্ণ সেতুর একাংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে আতঙ্ক ছড়াল গোটা এলাকায়। ভাঙা অংশের পাশের অংশেও ধরা পড়েছে ফাটল, যা যে কোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সেতুর জীর্ণ দশা আগেই স্পষ্ট ছিল—বহু জায়গায় দোলা, কাঁপুনি ও ফাটল চোখে পড়ছিল। প্রায় এক বছর আগে ‘Weak Bridge’ বোর্ড টাঙানো হয়েছিল, তবুও সারাইয়ে কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি।

ঘটনার সঙ্গে জুড়েছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক—৫ অগস্ট এই সেতুর উপর দিয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee) গিয়েছিলেন কামারপুকুর ও ঘাটাল সফরে। ফলে অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ ও খোদ মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

আরও পড়ুনঃ পহেলগাঁও হামলায় নিহত নৌ অফিসার বিনয়ের স্ত্রী এবার বিগ বস প্রতিযোগী

যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই সেতুর গুরুত্ব অপরিসীম। দক্ষিণবঙ্গের অন্তত পাঁচ-ছয়টি জেলার সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, আরামবাগ, বর্ধমান এবং কলকাতার রাস্তাঘাট সংযোগে রামকৃষ্ণ সেতু প্রধান মাধ্যম। এখানে প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, এমনকি আশপাশের বাজার, স্কুল ও কলেজগামী মানুষের চলাচল হয়।

Advertisement
ads ads

স্থানীয়দের মতে, রাতের দিকে ভেঙে পড়ায় বড়সড় প্রাণহানি এড়ানো গেছে, তবে সকালের দিকে ঘটলে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত। ঘটনার পরপরই পুলিশ এলাকা ব্যারিকেড করে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে। সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—এমন ‘দুর্বল সেতু’ কেন এতদিন অবহেলায় পড়ে রইল?

Continue Reading
Advertisement ads