দেশ
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরসহ ছ’ রাজ্যে রেল ও কৃষি খাতে ১৭,৬৮৯ কোটি টাকার বিনিয়োগে মোদী সরকারের মেগা প্রকল্প
ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের পরিকাঠামো ও কৃষি খাতে উন্নয়নের পথে বড়সড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। একদিকে রেল পরিকাঠামো উন্নয়নে ১১,১৬৯ কোটি টাকার চারটি বৃহৎ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে, অন্যদিকে কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ খাতে ৬,৫২০ কোটি টাকার বরাদ্দে ‘প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্পদা যোজনা’ (PMKSY) আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রেল প্রকল্পগুলি ২০২৮-২৯ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ হবে এবং নির্মাণকাজ চলাকালীন প্রায় ২২৯ লাখ মানব-দিনের সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। অনুমোদিত চারটি প্রকল্প হলো—
১) ইতারসি –নাগপুর ৪র্থ লাইন
২) ঔরঙ্গাবাদ (ছত্রপতি সম্ভাজিনগর)–পরভনি ডাবলিং
৩) আলুয়াবাড়ি রোড–নিউ জলপাইগুড়ি ৩য় ও ৪র্থ লাইন
৪) ডাঙ্গোপোসি–জারোলি ৩য় ও ৪র্থ লাইন
In a boost to our efforts to provide next-generation infrastructure, 4 major rail projects worth over Rs. 11,100 crore have been approved by the Cabinet. These projects will benefit people of Maharashtra, Madhya Pradesh, West Bengal, Bihar, Odisha, and Jharkhand.…
— Narendra Modi (@narendramodi) July 31, 2025
আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোয় বড় চমক, পুজো কমিটিগুলিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা অনুদান ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী মোদী সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “পরবর্তী প্রজন্মের পরিকাঠামো উন্নয়নের পথে এটি বড় পদক্ষেপ। ১১,১০০ কোটিরও বেশি মূল্যের চারটি রেল প্রকল্প দেশের মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের মানুষকে উপকৃত করবে।”
অন্যদিকে, মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৫তম অর্থ কমিশন চক্র (২০২১-২২ থেকে ২০২৫-২৬) চলাকালীন ‘প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্পদা যোজনা’র (PMKSY) জন্য মোট ৬,৫২০ কোটি টাকার বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছে, যার মধ্যে ১,৯২০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ। এই অর্থ দিয়ে দেশে ৫০টি মাল্টি-প্রোডাক্ট ফুড ইরেডিয়েশন ইউনিট, ১০০টি ন্যাবল স্বীকৃত ফুড টেস্টিং ল্যাব স্থাপন করা হবে।
সরকারের দাবি, এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে ২০ থেকে ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্যপণ্যের সংরক্ষণ ক্ষমতা তৈরি হবে এবং উন্নত মানের খাদ্য নিরাপত্তা অবকাঠামো গড়ে উঠবে। এর ফলে কৃষিজ পণ্য সংরক্ষণ ও পরিবহণের মান বাড়বে, রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে এবং খাদ্যপণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
কেন্দ্রীয় সরকারের মতে, রেল ও কৃষি—দুই ক্ষেত্রেই এই বিনিয়োগ দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতি আনবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করবে এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর লক্ষ্যপূরণে বড় ভূমিকা নেবে।
