শান্তিনিকেতন সাক্ষী বাংলার ভাষা-আন্দোলনের, পথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
Connect with us

ভাইরাল খবর

শান্তিনিকেতন সাক্ষী বাংলার ভাষা-আন্দোলনের, পথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে যে বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Chief Minister Mamata Banerjee), ২৮ জুলাই তা-ই রূপ পেল বাস্তব পদক্ষেপে। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় ‘Language Movement’-এর ডাক দিয়ে সোমবার শান্তিনিকেতনের (Santiniketan) বুকে এক ঐতিহাসিক পদযাত্রায় নেতৃত্ব দিলেন তৃণমূল নেত্রী।

সকাল থেকেই সাজো সাজো রব বোলপুর শহরে। দুপুর দুটো নাগাদ গীতাঞ্জলি অডিটোরিয়ামে প্রশাসনিক বৈঠকের পর শুরু হয় ‘ভাষা-আন্দোলনের’ মিছিল। কবিগুরুর ছবি হাতে নিয়ে বাংলা ভাষার সম্মান রক্ষার শপথ নেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। হুঁশিয়ারি দেন, “যাঁরা বাংলা ভাষাকে অপমান করছেন, তাঁদের রাজনৈতিক বিসর্জন হবেই।”

আরও পড়ুনঃ নিজের সংকটমোচন করতে হনুমানের পুজো দিলেন দিলীপ ঘোষ

মিছিলে সর্বপ্রথম চোখে পড়ে একটি বিশাল ট্যাবলো—আকারে যেন একখানা বাংলা বই। বইয়ের মাঝখানে সাদা পায়রা, শান্তির প্রতীক। বইয়ের পৃষ্ঠায় লেখা একের পর এক জ্বলন্ত স্লোগান: “আমরা বাঙালি, বাংলা আমার মা”, “ভাষা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এক হও বাংলাবাসী”, “এ লড়াই বাংলার লড়াই”, এবং “যতক্ষণ দেহে প্রাণ, রাখিব বাঙালির মান”

Advertisement
ads

ট্যাবলোর চারপাশে বাংলার মনীষীদের বিশাল কাট-আউট—রবীন্দ্রনাথ, বিদ্যাসাগর, বিবেকানন্দ, নেতাজি, নজরুল প্রমুখ। পদযাত্রার পথে সাজানো হয়েছে ১২টি জায়ান্ট স্ক্রিন ও ২৮টি অস্থায়ী তোরণ। মিছিলে অংশ নেন হরিনাম সম্প্রদায়, মতুয়া ও আদিবাসী সমাজ, ছৌ শিল্পীরা, খেলোয়াড় এবং বিশিষ্টজনেরা।

সেই সঙ্গে বেজে উঠেছে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের গান: “বাংলা আমার দৃপ্ত স্লোগান…”। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই মিছিল শুধুই সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ নয়, ২০২৬ সালের রাজনৈতিক রণকৌশলেরও সূচনা। মিছিলে শেষবার্তা নিয়ে সকলের চোখ এখন মুখ্যমন্ত্রীর দিকেই।

Continue Reading
Advertisement