ভাইরাল খবর
“দোষীদের কঠোরতম শাস্তি হবেই” — কসবা গণধর্ষণ মামলায় আশ্বাস কলকাতা পুলিশ কমিশনারের
ডিজিটাল ডেস্কঃ কসবা ল কলেজ (Kasba Law College) গণধর্ষণ কাণ্ডের ছয়দিন পেরিয়ে গেলেও ক্ষোভ এখনও তীব্র। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তিনজন সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। তবুও অভিযুক্তরা আদৌ সাজা পাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ মানুষের একাংশ এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলের তরফে। এমন পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা (Manoj Verma)।
সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “এই ঘটনা অত্যন্ত সংবেদনশীল (Sensitive)। আমরা তদন্তে অগ্রগতি করেছি। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ জোগাড় হয়েছে। যা যা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার, তা করা হচ্ছে। দোষ প্রমাণিত হলে কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে (Strictest Punishment)।”
Advisory Regarding Victim Identity Protection – Kasba Case
It has come to notice that certain individuals are attempting to disclose the identity of the victim in the Kasba case through the circulation of confidential documents or by other means. This is a serious violation of…
— Kolkata Police (@KolkataPolice) July 1, 2025
তিনি আরও জানান, সমস্ত তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে সবকিছু এই মুহূর্তে প্রকাশ করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে পুলিশের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, কোনওভাবেই দোষীদের রেহাই দেওয়া হবে না।
আরও পড়ুনঃ সরকারি হাসপাতালে গলা কেটে খুন! প্রকাশ্যে গলা কেটে খুন দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী
এই সঙ্গে কলকাতা পুলিশ কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভিকটিমের পরিচয় ফাঁসের চেষ্টাকারীদের উদ্দেশে। সিপি জানান, “কিছু ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ভিকটিমের পরিচয় প্রকাশ করার চেষ্টা করছে, যা আইনত দণ্ডনীয়। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই নজর রাখা হচ্ছে। কেউ এই ধরনের অপরাধে যুক্ত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পুলিশ প্রশাসন স্পষ্ট করে বলেছে, ভিকটিমের মর্যাদা রক্ষা করা শুধু আইনি নয়, নৈতিক দায়িত্বও বটে। জনসাধারণকে সংবেদনশীলতা বজায় রাখার আবেদনও জানানো হয়েছে।
এদিকে অভিযুক্তদের ডিএনএ রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে তদন্তকারী দল। সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। সবমিলিয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে জোরকদমে এগোচ্ছে তদন্ত।
