ভাইরাল খবর
বকেয়া টাকার দাবিতে ফের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখোমুখি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সম্ভাব্য বৈঠক মঙ্গলবার
ডিজিটাল ডেস্কঃ কেন্দ্রীয় বকেয়া আদায়ের দাবিতে ফের দিল্লি সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নবান্ন সূত্রে খবর, সব ঠিক থাকলে আগামী সোমবারই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) সঙ্গে বৈঠকের সময় চাওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবারই হতে পারে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর সেই বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠক।
দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বকেয়া টাকা নিয়ে সরব রাজ্য। কেন্দ্রের তরফে রাজ্যের বকেয়া ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ বারবার তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। তবে এই প্রথম নয়—এর আগেও বারংবার দিল্লি গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। প্রতিশ্রুতিও মিলেছে, কিন্তু অভিযোগ, মেলেনি কার্যকর সমাধান।
আরও পড়ুনঃ রাজনীতি থেকে রুপোলি পর্দা—অরিন্দম শীলের ছবিতে ‘অভিনেতা’ কুণাল ও ব্রাত্য
নবান্নের দাবি, একশো দিনের কাজ (MGNREGA), বাংলা আবাস যোজনা (PMAY)-সহ একাধিক প্রকল্প ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিপূরণের খাতে রাজ্যের মোট বকেয়া প্রায় ১ লক্ষ ৭৫ হাজার কোটি টাকা। মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মহলের বক্তব্য, “গণতান্ত্রিক রীতিনীতি মেনেই প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি ফের জানানো হবে। কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাত নয়, বরং বাস্তব প্রাপ্য আদায়ের দিকেই জোর দিচ্ছে রাজ্য।”
এবারের দিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রীর আরও কিছু কর্মসূচি রয়েছে। তৃণমূলের সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক, একটি পার্টি অফিসের উদ্বোধনের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সফরের পূর্ণাঙ্গ সূচি এখনও ঘোষণা হয়নি।
অন্যদিকে, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই একশো দিনের কাজ ও বাংলার আবাস প্রকল্পে অর্থ আটকে রেখেছে কেন্দ্র। বিজেপির রাজ্য নেতারা, যেমন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দিল্লিতে গিয়ে তদবির করেছিলেন এই প্রকল্পগুলির অর্থ বন্ধ রাখার পক্ষে।
তবে রাজ্যের দাবি, কেন্দ্রীয় নিরীক্ষা ও নিয়ম অনুযায়ী রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে বহুবার। হিসেব নিয়েও কেন্দ্রীয় সরকারের অজুহাতের শেষ নেই। বাধ্য হয়ে রাজ্য সরকার নিজেদের অর্থে বহু প্রকল্প চালু রেখেছে বলে দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর ঘিরে নতুন করে আলোচনার আবহ। দেখা যাক, এবার কেন্দ্রীয় বকেয়ার দাবিতে রাজ্য কতটা সাফল্য পায়।
