৩৭০ ধারা বিলোপে কাশ্মীরে সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্র এসেছে, প্রশংসায় সলমন খুরশিদ
Connect with us

অপারেশন সিঁদুর

৩৭০ ধারা বিলোপে কাশ্মীরে সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্র এসেছে, প্রশংসায় সলমন খুরশিদ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা সলমন খুরশিদ (Salman Khurshid) ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের ফলে জম্মু ও কাশ্মীরে গণতান্ত্রিক অগ্রগতি ও উন্নয়নের বার্তা তুলে ধরলেন। শুক্রবার (May 30), ইন্দোনেশিয়ার এক কূটনৈতিক সফরে গিয়ে তিনি জানান, অতীতে জম্মু ও কাশ্মীরকে দেশের মূল স্রোত থেকে আলাদা ভাবা হত, কিন্তু ২০১৯ সালে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পর সেই ‘বিচ্ছিন্নতার মানসিকতা’ দূর হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার থিঙ্ক ট্যাঙ্ক এবং একাডেমিক মহলের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে খুরশিদ বলেন, “অনুচ্ছেদ ৩৭০ জম্মু ও কাশ্মীরকে এক বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা দিয়েছিল, যা অনেক সময়েই আলাদা সত্তার অনুভব তৈরি করত। সেই বিশেষ মর্যাদার ফলেই বিচ্ছিন্নতাবাদ মাথাচাড়া দিত। এই অসুবিধার অবসান ঘটেছে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে।”

আরও পড়ুনঃ সিঁদুর বিতর্কে উত্তাল চুঁচুড়া, মহিলা পুলিশকে জোর করে সিঁদুর পরালেন বিজেপি কর্মীরা

তিনি আরও বলেন, “ভারতের অন্য রাজ্যগুলির মতোই আজ জম্মু ও কাশ্মীরও এক সাধারণ প্রশাসনিক কাঠামোয় পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া স্বাভাবিক গতিতে চলছে।” তাঁর দাবি, ৩৭০ ধারা বাতিলের পরবর্তী নির্বাচনে কাশ্মীর উপত্যকায় ৬৫ শতাংশ ভোট পড়া একটি বড় ইতিবাচক বার্তা। বর্তমানে সেখানে একটি নির্বাচিত সরকার কাজ করছে বলেও তিনি জানান।

Advertisement
ads

সলমন খুরশিদের মন্তব্য, “কাশ্মীরে যে পরিবর্তন এসেছে, যে উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা দেখা যাচ্ছে, তা অস্বীকার করা উচিত হবে না। মানুষ এই ইতিবাচক পরিবর্তনের অংশ হতে চায়। কেউ যদি এটিকে মুছে ফেলতে চায়, তবে সেটা সঠিক সিদ্ধান্ত হবে না।”

তাঁর এই মন্তব্য কংগ্রেসের অবস্থান থেকে কিছুটা ভিন্ন হলেও, জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গে সংবিধানিক পরিবর্তনের বাস্তবতা এবং তাতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও উন্নয়নের দৃষ্টান্ত তিনি আন্তর্জাতিক মহলের সামনে তুলে ধরেছেন বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা

Continue Reading
Advertisement