অডিও ক্লিপে গালিগালাজ, আইসির অভিযোগে অনুব্রতর বিরুদ্ধে মামলা
Connect with us

ভাইরাল খবর

অডিও ক্লিপে গালিগালাজ, আইসির অভিযোগে অনুব্রতর বিরুদ্ধে মামলা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ শুক্রবার সকালেই এক অডিও ক্লিপ প্রকাশ করে চাঞ্চল্য ছড়াল রাজ্য রাজনীতিতে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দাবি করেন, বীরভূমের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ফোনে বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে (Liton Haldar) হুমকি দিচ্ছেন।

সুকান্তবাবু তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে সেই অডিও ক্লিপটি শেয়ার করে বলেন, “এটাই তৃণমূলের আসল রূপ। একজন আইসিকে কীরকম ভাষায় হুমকি দেওয়া হচ্ছে, তা শুনলে কারও কানে আঙুল দিতে হবে।”এই ঘটনায় জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের অন্দরে প্রবল অস্বস্তি তৈরি হয়। একাংশের মতে, একজন রাজনৈতিক নেতার এমন ব্যবহারে পুলিশ বিভাগের মনোবল চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ওই অডিওতে  শোনা যায়, বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে (Liton Haldar) তিনি অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন। শুধু আইসিকেই নয়, ফোনালাপে অনুব্রত মণ্ডল তাঁর পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কেও কুরুচিকর মন্তব্য করেন।

জানা গিয়েছে, গত ২৬ মে অনুব্রত মণ্ডল বোলপুরে একটি মিছিল করেন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। সেই মিছিল নিয়ে থানার তরফে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে একটি রিপোর্ট পাঠানো হয়, যেখানে বলা হয় জমায়েত হয়েছিল প্রায় ১২ হাজারের মতো। অনুমান, এই সংখ্যাকে অবমূল্যায়ন বলেই ধরে নিয়ে ক্ষুব্ধ হন অনুব্রত, যার জেরে ২৮ মে রাতে তিনি আইসিকে ফোন করে শিষ্টাচারভ্রষ্ট ভাষায় আক্রমণ করেন।

আরও পড়ুনঃ ৩৭০ ধারা বিলোপে কাশ্মীরে সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্র এসেছে, প্রশংসায় সলমন খুরশিদ

Advertisement
ads

ঘটনার পরপরই ক্লিপটি ভাইরাল হয়ে যায়। সূত্রের খবর, অডিওতে আরও শোনা যায়, ফোনালাপ চলাকালীন অনুব্রত পুলিশ অফিসার রাজীব কুমারকে (Rajiv Kumar) ফোন করেন। যদিও সেই অংশে রাজীব কুমারের কোনও বক্তব্য শোনা যায়নি, ফলে তার সত্যতা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়।

পরে শুক্রবার দুপুরে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। বীরভূমের পুলিশ সুপার আমনদীপ (Aman Deep) জানান, আইসি লিটন হালদারের অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২২৪, ১৩২, ৩৫১ ও ৭৫ নম্বর ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

সূত্রের দাবি, এই পদক্ষেপের নির্দেশ এসেছে সরাসরি নবান্ন থেকে। কারণ, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্বে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নিজেই। বিরোধীরা ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল নেতৃত্বের রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement