বুধবার গোটা দেশে যুদ্ধকালীন মহড়া: ব্ল্যাকআউটের নিয়মাবলী কী? জানুন বিস্তারিত
Connect with us

হামলা

বুধবার গোটা দেশে যুদ্ধকালীন মহড়া: ব্ল্যাকআউটের নিয়মাবলী কী? জানুন বিস্তারিত

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আবহে বুধবার দেশজুড়ে (India) যুদ্ধকালীন মহড়া। ওই মহড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ‘ব্ল্যাকআউট’ (Blackout)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (Home Ministry) নির্দেশ অনুযায়ী, ব্ল্যাকআউট চলাকালীন সাধারণ নাগরিকদের জন্য একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে, যা না মানলে বিপদের আশঙ্কা বাড়তে পারে।

আলো ব্যবহারে কড়া নিষেধাজ্ঞা:
ব্ল্যাকআউটের সময় কোনও অবস্থাতেই এমন আলো ব্যবহার করা যাবে না, যা বাড়ির বাইরে থেকে স্পষ্ট দেখা যায় বা চারপাশে উজ্জ্বলতা ছড়ায়। বাড়ির বাইরের অংশে একেবারেই আলো জ্বালানো যাবে না। এমনকি রাস্তার আলো থাকলেও সেটি যেন শুধু নিচের দিকে পড়ে এবং ২৫ ওয়াটের বেশি উজ্জ্বল না হয়— সেই ব্যবস্থাই রাখতে বলা হয়েছে।

যানবাহনের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা:
গাড়ি বা যেকোনও যানবাহনের আলোও ব্ল্যাকআউটের সময় ঢেকে রাখতে হবে। কেন্দ্রের নির্দেশনায় দু’টি পদ্ধতি বলা হয়েছে— এক, হেডলাইটের ওপর বাদামি কাগজ বসিয়ে দেওয়া; দুই, কাগজের ডিস্ক ব্যবহার করে আলোকে খুব সরু ফাঁক দিয়ে বের করতে দেওয়া। এমনকি হাতে ব্যবহৃত টর্চলাইটেও কাগজ দিয়ে মোড়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে আলোর ছটা বাইরে না যায়।

সতর্কবার্তার স্তর ও তার তাৎপর্য:
বিমান হামলার সম্ভাবনা দেখা দিলেই বায়ুসেনা (Air Force) প্রথমে তথ্য পাঠায় সিভিল ডিফেন্স কন্ট্রোল সেন্টারে। সেখান থেকে স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়ে গ্রাউন্ড অ্যাকশন শুরু হয়। এই সতর্কবার্তা মূলত চার ধাপে বিভক্ত:

Advertisement
ads
  • Yellow (এয়ার রেইড ইয়েলো): গোপনে দেওয়া হয়, সাধারণ মানুষকে জানানো হয় না।

  • Red (এয়ার রেইড রেড): হামলার আশঙ্কা প্রবল, জনসাধারণকে সাইরেন বাজিয়ে সতর্ক করা হয়।

  • Green (এয়ার রেইড গ্রিন): বিপদ কেটে গেছে, হামলাকারী বিমান পিছু হটেছে।

  • White (এয়ার রেইড হোয়াইট): প্রাথমিক সতর্কতা ভুল ছিল বা আর আশঙ্কা নেই।

কেন এই মহড়া এত জরুরি?
সরকারি আধিকারিকদের মতে, শুধু প্রতীকী অনুশীলন নয়, এই ব্ল্যাকআউট মহড়া দেশের রণকৌশলের অংশ। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নাগরিকরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে, তারই প্রস্তুতি এ মহড়ার মূল লক্ষ্য। সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, এই মহড়ার মধ্য দিয়েই জনসচেতনতা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।