দক্ষিণ নারায়ণপুরে গুলি ও মারধরে চাঞ্চল্য, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত রাজারহাট
Connect with us

ভাইরাল খবর

দক্ষিণ নারায়ণপুরে গুলি ও মারধরে চাঞ্চল্য, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত রাজারহাট

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ শুক্রবার দুপুরে বিধাননগর পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নারায়ণপুর এলাকায় ঘটে গেল চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা। সঙ্কীর্ণ গলির মধ্যে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাণ্ডব চালায় একদল দুষ্কৃতী। এক ব্যক্তিকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধরের পাশাপাশি হামলা চালানো হয় তাঁর বাড়িতেও। চলে ব্যাপক ভাঙচুর। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে তাজ ইলিয়াস জনি ও সাজিদ খান নামের দুই যুবককে। তাজের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি আগ্নেয়াস্ত্র।

এই ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তি আজাদ বাবা দাবি করেছেন, তাঁর ওপর হামলা হয়েছে রাজনৈতিক কারণে। তিনি জানিয়েছেন, তিনি সব্যসাচী দত্তের অনুগামী এবং সম্প্রতি ঈদের দিনে তাঁর বাড়িতে নিমন্ত্রণে এসেছিলেন সব্যসাচী। এর পরদিন বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায় একটি সভায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে উদ্দেশ করে অশালীন ভাষায় কথা বলেন বলে অভিযোগ আজাদের। তাঁর দাবি, সেই ঘটনার জেরেই তাপস ঘনিষ্ঠ শেখ আজাদ ও তাঁর দলবল তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গুলির শব্দও শোনা গিয়েছিল। আজাদ বাবার পরিবার সাংবাদিকদের সামনে গুলির খোলও দেখিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ দিনদুপুরে শুটআউট, নারায়ণপুরে আতঙ্কে ঘরবন্দি স্থানীয়রা

ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে—বন্দুক হাতে ঘোরাফেরা করছে কয়েকজন যুবক, চেয়ার-টেবিল ভাঙা হচ্ছে, রাস্তায় ফেলে একজনকে মারা হচ্ছে। বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায় অবশ্য এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘রাজারহাটে বহু বছর ধরে আমি রাজনীতি করছি। গুণ্ডা দিয়ে কারও বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ কেউ বিশ্বাস করবেন না। দলের শৃঙ্খলা রক্ষা করাই আমার কাজ।’’ তাঁর দাবি, আজাদ বাবার পরিবারের তরফেই প্রথমে তাঁকে গালিগালাজ করা হয়। ঘটনার উত্তেজনা সেখান থেকেই শুরু। তিনি আরও বলেন, ‘‘আমি শুধু চেয়েছিলাম দলের নিয়ম যেন মানা হয়। কেউ কারও অনুগামী হবেন না, সেটা ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু দলের কাজে শৃঙ্খলা থাকা দরকার।’’

Advertisement
ads

অন্যদিকে, সব্যসাচী দত্ত এই ঘটনায় সরাসরি কিছু বলতে চাননি। তিনি শুধু বলেন, ‘‘যাঁর বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে, তিনি মাদক কারবারে যুক্ত বলে শোনা যায়। আমি শুধু নিমন্ত্রণে গিয়েছিলাম। পুলিশ তদন্ত করছে।’’ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিধাননগর পুলিশ। গুলি চালানো হয়েছে কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কমিশনার।