দক্ষিণ দিনাজপুর
আদিবাসী মহিলাকে মার! অভিযোগ আবগারি দপ্তরের পুলিশের বিরুদ্ধে
নিউজ ডেস্ক: চোলাই অভিযানে গিয়ে এক আদিবাসী মহিলাকে মারধরের অভিযোগে উত্তাল এলাকা। মহিলাকে মারধরের অভিযোগ উঠল আবগারি দপ্তরের এক পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনার জেরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকাজুড়ে৷ ঠিক কি হয়েছিল? কেনই ওই মহিলাকে মারধর করা হল? ফের মহিলা নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এদিন বুধবার তীর ধুনক,লাঠি নিয়ে আন্দোলনে নামে আদিবাসীরা ৷ পথ অবরোধের পাশাপাশি আবগারি দপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় তারা ৷ উল্লেখ্য, গত শুক্রবার দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন থানার শিবপুরে চোলাই ঠেক ভাঙতে অভিযানে যায় আবগারি দফতরের আধিকারিক ও পুলিশ। শিবপুরের বেশ কয়েকটি এলাকায় চোলাইয়ের ঠেক ভাঙার পাশাপাশি আবগারি পুলিশ হাজির হয় শেফালি ওরাঁও নামে এক মহিলার বাড়িতে।
সেখান থেকে উদ্ধার হয় প্রচুর চোলাই। এরপর আবগারি দফতরের কর্মীরা জোর করে শেফালি দেবীর বন্ধ ঘর খুলতে চায় বলে অভিযোগ। তা নিয়েই বচসার সূত্রপাত। সেইসময় আবগারি দপ্তরের কর্মীরা ওই মহিলাকে মারধর করে বলে অভিযোগ। আর এতে অসুস্থ হয়ে পড়েন শেফালি দেবী। ঘটনার পর বাড়ির লোকেরা মহিলাকে উদ্ধার করে বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যায় চিকিৎসার জন্য।
আরও পড়ুন – জটা কেটে, গলায় দড়ি পেঁচিয়ে হামলা, কলকাতায় চিকিৎসাধীন সাধু
এই ঘটনা জানাজানি হতেই ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় তপন ব্লক সহ জেলাজুড়ে। ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বুধবার তপনের শিবপুর গ্রাম সহ বিভিন্ন প্রান্তের আদিবাসী মানুষজন তীর ধুনক,লাঠি সহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে তপন চৌপথিতে হাজির হয়। চোলাই অভিযানে গিয়ে কেন আদিবাসী মহিলাকে মারধর করা হল? তার জবাব চেয়ে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তারা। প্রায় ১ ঘন্টা ধরে চলে অবরোধ।
এরপর প্রতিবাদ মিছিল করে তপন আবগাড়ি দপ্তরের সামনে হাজির হয় ক্ষুব্ধ আদিবাসীরা। আবগাড়ি দপ্তরের সামনে আন্দোলন কারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তা ধস্তাধস্তিও শুরু হয়ে যায়। ঘটনায় আটকে পড়েন দুর দুরান্তের যাত্রী। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনা স্থলে হাজির হন তপন থানার আইসি জনমারি ভিয়ান্নে লেপচা সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। মোতায়ন করা হয় র্যাফ। আবগারি দফতরের এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ আদিবাসীরা।
আরও পড়ুন – বৃদ্ধ-বৃদ্ধার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, আত্মহত্যার নেপথ্যে পারিবারিক কলহ?
