দক্ষিণ দিনাজপুর
ফরেন্সিক রিপোর্টের আগেই চাঞ্চল্যকর তথ্য! অবৈধ মজুদ বাজি থেকেই বিস্ফোরণ?
নিউজ ডেস্ক: গত সোমবার রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাট থানা এলাকার দক্ষিণ রায়পুরের ৩ নম্বর ঘেরিতে বণিক বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। বাজি বিস্ফোরণের ফলে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পরে আশেপাশের এলাকায়।
সেই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বণিক পরিবারের চার শিশু-সহ মোট আট জন সদস্যের। ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে ওসঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পুলিশ গিয়ে জানতে পারে, ঘরে প্রচুর পরিমাণ বাজি ও বাজির মশলা মজুত রাখায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে। এই ঘটনায় মঙ্গলবারই অভিযুক্ত চন্দ্রকান্ত বণিককে আটক করেছিল পুলিশ।
পাথরপ্রতিমা কাণ্ডে গতকাল নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন যে, ওই বাজি কারখানার বৈধ লাইসেন্স ছিল। কিন্তু, ঢোলাহাট থানার আইসি-র রিপোর্ট তো বলছে সম্পূর্ণ উল্টো কথা! শুরু থেকে দায়ী করে হয়েছিল যে, সচেতনতার ওভাবেই এই বিস্ফোরণ! ওই বাজি কারখানার বৈধ লাইসেন্স ছিল কি না, তা নিয়ে একটা ধন্দ তৈরি হয়েছে। সচেতনতার অভাব নয়, বিডিফরন উল্লেখ করা হয়েছে আইসির রিপোর্টে। শুরু বিতর্ক ।
আরও পড়ুন – ভয়াবহ বিস্ফোরণ পাথরপ্রতিমায়! মৃত, ৮ NIA তদন্তের দাবি দিলীপ-সুকান্তর
রাজ্য পুলিশের তরফে এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার বলেছিলেন, এটা দুর্ঘটনা। বিগত ১০ বছর ধরে বণিক পরিবারের বাজি কারখানা চলছিল। তবে প্রশ্ন উঠতে, কিসের ভিত্তিতে মজুত থাকতো বাজি? ওই বাজি কারখানা অডিও বৈধ নাকি অবৈধ? বাজি থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা? তারপর কি গ্যাসের সিলিন্ডার ফেটেছে? নতুবা গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে বিস্ফোরণ ঘটেছে? যদিও বিষয় গুলি স্পষ্ট নয়। ফরেন্সিক দলের পরীক্ষা করার আগেই, ঢোলাঘাট থানার আইসির হাতে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য!
সূত্রের খবর, ওই বণিক পরিবারের কোনও বৈধ লাইসেন্স ছিল না। বাড়িতে বেআইনি বাজি মজুত করে রাখা ছিল। সেখান থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঢোলাহাট থানার আইসি দেবাশিস রায়ের করা স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় এই কথা উল্লেখ করা আছে।
আরও পড়ুন – পার্থপ্রতিমায় বাজি বিস্ফোরণ! গ্রেফতার বাড়ির বড় ছেলে চন্দ্রকান্ত বণিক
