ডিজিটাল ডেস্কঃ উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা থানা এলাকায় এক মহিলার গলাকাটা দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় সুধানী নদীর ধারে শনিবার সকালে ওই নারীর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরিবার ও পুলিশের সন্দেহ, তাঁকে ধর্ষণ করার পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত মহিলা করণদিঘি রানিগঞ্জ পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা। শুক্রবার দুপুরে ঘাস কাটতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি, কিন্তু আর ফেরেননি। সন্ধ্যা পর্যন্ত খোঁজ না মেলায় পরিবার ডালখোলা থানায় অভিযোগ দায়ের করে। পরদিন সকালে বাড়ি থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে সুধানী নদীর পাড়ে তাঁর গলাকাটা দেহ উদ্ধার হয়।
নিহতের পরিবার জানিয়েছে, তিনি স্বামীর সঙ্গে থাকতেন না এবং আড়াই বছর ধরে সন্তানকে নিয়ে মা ও ভাইয়ের সঙ্গে রানিগঞ্জ এলাকায় বাস করছিলেন। তাঁর ভাইয়ের দাবি, দিদিকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করা হয়েছে।
Advertisement
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, শ্বাসরোধের পর গলার নলি কেটে খুন করা হয়েছে। তবে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করছে পুলিশ। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিবার ও স্থানীয়রা দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং দোষীদের চিহ্নিত করতে বিভিন্ন সূত্র খতিয়ে দেখছে।