অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযোগকারী রোশন বিন্দার (৪৮), যিনি সেলিব্রিটিদের ইভেন্ট ও বিজ্ঞাপনের কাজে যুক্ত, গত জুলাই মাসে একটি ফোনকল পান। সেখানে বলা হয়, একটি এনার্জি ড্রিংকের বিজ্ঞাপনের জন্য ২৫ জন শিল্পীর প্রয়োজন। প্রথমে ১০ লক্ষ টাকার অগ্রিম পেমেন্টের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও, সেটি পরিশোধ করা হয়নি। পরবর্তী সময়ে শিল্পীদের দাদারের একটি অনুষ্ঠানে নিয়ে আসতে বলা হয়, যেখানে ১০০ জন সেলিব্রিটি উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকেই ২৫ জনকে বিজ্ঞাপনের জন্য নির্বাচিত করা হয়।
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশ নিয়ে আমেরিকার মন্তব্যে আপত্তি ঢাকার
মোট ১.৩২ কোটি টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও, প্রতিশ্রুত অর্থ শিল্পীদের দেওয়া হয়নি। বরং অভিযুক্তরা ১৫ লক্ষ টাকার চেকের ছবি পাঠিয়ে পেমেন্টের নিশ্চয়তা দেয়। সেই আশ্বাসে বিন্দার শুটিং সম্পন্ন করেন এবং বিজ্ঞাপন কন্টেন্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড হয়। অভিযুক্তরা জানায়, ৩৫ দিনের মধ্যে সমস্ত অর্থ পরিশোধ করা হবে।
পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, শিল্পীদের দুটি চেক দেওয়া হয়েছিল—একটি ২ লক্ষ টাকার এবং অন্যটি ৯০,০০০ টাকার। তবে, দুটো চেকই বাউন্স হয়ে যায়। আরও তদন্তে উঠে আসে, অভিযুক্তরা দাবি করেছিল যে, বিদেশি মুদ্রা সংক্রান্ত নিয়ম অনুযায়ী দুবাই থেকে ২২.৫ লক্ষ টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছে। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও সেই টাকা অভিযোগকারীর অ্যাকাউন্টে জমা হয়নি।
প্রতারণার ফলে শিল্পীদের প্রায় ১.৩২ কোটি টাকা এবং অভিযোগকারীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৬.৯১ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর চেম্বুর পুলিশ মধ্যপ্রদেশের এক ব্যক্তিসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে। বর্তমানে গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে।