বেআইনি নির্মাণে কড়া পদক্ষেপ! শওকত মোল্লার ছেলের ক্যাফেতে প্রশাসনের বুলডোজার
Connect with us

ভাইরাল খবর

বেআইনি নির্মাণে কড়া পদক্ষেপ! শওকত মোল্লার ছেলের ক্যাফেতে প্রশাসনের বুলডোজার

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের মৌখালি এলাকায় তৃণমূল নেতা তথা ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার মালিকানাধীন ‘অরণ্যের কূলে’ নামে একটি ক্যাফেতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রশাসন বুলডোজার (Bulldozer) চালিয়ে ভাঙার কাজ শুরু করে। অভিযোগ, মাতলা নদীর চর এবং সেচ দপ্তরের সরকারি জমি দখল করে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ক্যাফে (Cafe) নির্মাণ করা হয়েছিল। আগে নোটিস (Notice) দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণ ভাঙা না হওয়ায় প্রশাসন নিজেই অভিযান চালায়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মৌখালি সেতু সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার ধারে সরকারি জমির উপর ক্যাফেটি গড়ে তোলা হয়েছিল। অভিযোগ, শওকত মোল্লা বিধায়ক থাকাকালীন তাঁর ছেলে ইমরান মোল্লা এই ব্যবসা শুরু করেন। পরে জমির বৈধ নথি জমা দেওয়ার জন্য তাঁকে মহকুমাশাসকের অফিস (Office)-এ তলব করা হয়। জমা পড়া নথি খতিয়ে দেখে প্রশাসনের দাবি, নির্মাণের জন্য কোনও বৈধ অনুমতি বা ছাড়পত্র ছিল না এবং সেচ দপ্তরের জমি দখল করেই ক্যাফেটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রশাসনের দাবি, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর ক্যাফে ভেঙে ফেলার নির্দেশ জারি হয়। আদালতের নির্দেশ ও প্রশাসনিক সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালেই বুলডোজার (Bulldozer) নিয়ে অভিযান শুরু হয়। প্রথমে ক্যাফের প্রবেশদ্বার, পরে একে একে ভিতরের বিভিন্ন অংশ ও সাজানো বাগান ভেঙে ফেলা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ক্যানিং মহকুমার পুলিশ আধিকারিক, জীবনতলা থানার আধিকারিক এবং জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। প্রশাসন আরও জানিয়েছে, অবৈধ নির্মাণ অপসারণে সরকারের যে খরচ হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট মালিক পক্ষের কাছ থেকেই আদায় করা হবে। পাশাপাশি, সরকারি জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ (Legal Action) নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলবে।

স্থানীয় বিজেপি নেতা ওলিরূল পিয়াদা অভিযোগ করেন, সরকারি জমি দখল করে এই ক্যাফে তৈরি করা হয়েছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। অন্যদিকে প্রশাসনের বক্তব্য, সম্পূর্ণ আইন মেনেই এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। উল্লেখ্য, বর্তমানে শওকত মোল্লা জীবনতলা থানার একটি মামলায় পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের তদন্ত চলছে।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads