ভাইরাল খবর
বারাণসী গণধর্ষণ মামলা: প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষে ডিসিপি বদলি, তদন্তে মিলল ভয়াবহ তথ্য
ডিজিটাল ডেস্কঃ বারাণসী গণধর্ষণ কাণ্ডে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগের পর কাশী জ়োনের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার চন্দ্রকান্ত মীনাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট অসন্তোষ প্রকাশের পাঁচ দিনের মধ্যেই এই প্রশাসনিক রদবদল কার্যকর করা হয়েছে। তবে মীনাকে নতুন করে কোথায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি।
চন্দ্রকান্ত মীনা ছিলেন এই ভয়াবহ মামলার তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। সূত্রের খবর, তিনি আইনশৃঙ্খলা দফতরের একজন অভিজ্ঞ এবং দক্ষ অফিসার হিসেবে পরিচিত। তা সত্ত্বেও, নির্যাতিতা তরুণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
আরও পড়ুনঃবন্ধুর ফাঁদে পা! হুক্কা বার নিয়ে গিয়ে শুরু গণধর্ষণ ভয়াবহ অধ্যায়
প্রসঙ্গত, গত ২৯ মার্চ এই গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, এক তরুণীকে তাঁর এক বন্ধু হুক্কা বারে নিয়ে যায়, যেখানে আরও কয়েক জন উপস্থিত ছিলেন। মাদক খাইয়ে তাঁকে অচেতন অবস্থায় সিগরা এলাকার একাধিক হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। নির্যাতিতার অভিযোগ, সেখানে টানা সাত দিন ধরে ২৩ জন মিলে তাঁকে ধর্ষণ করে।
আরও পড়ুনঃ বারাণসী গণধর্ষণ কাণ্ডে রিপোর্ট তলব মোদীর, ৬ দিনে ২৩ জন কারা?
ঘটনার জেরে পুলিশ তৎপরতা দেখালেও এখনও পর্যন্ত সব অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এখনো পর্যন্ত মূল অভিযুক্ত-সহ ১৩ জনকে ধরা গেলেও ১০ জন অভিযুক্ত পলাতক। ৪ এপ্রিল তরুণীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার পরে গত ১০ এপ্রিল বারাণসী সফরে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শহরে পা দিয়েই তিনি পুলিশ কমিশনার ও অন্যান্য শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তদন্তের অগ্রগতি জানতে চাওয়ার পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দেন—দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
বর্তমানে তদন্তের গতিপ্রকৃতি ঘিরে রাজ্য পুলিশের উপর চাপ বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ এবং প্রশাসনিক রদবদল স্পষ্ট করে দিল—এবার গাফিলতির কোনও অবকাশ নেই।
