মস্কোর ঘুম কেড়ে নিল ইউক্রেনের 'অপারেশন স্পাইডার', ধ্বংস Tu-95 ও A-50 যুদ্ধবিমান
Connect with us

বিশ্বের খবর

মস্কোর ঘুম কেড়ে নিল ইউক্রেনের ‘অপারেশন স্পাইডার’, ধ্বংস Tu-95 ও A-50 যুদ্ধবিমান

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রাশিয়ার (Russia) সামরিক পরিকাঠামোর হৃদয়ে প্রবল ধাক্কা দিল ইউক্রেন (Ukraine)। ভারতীয় সেনার ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর অনুরূপ এক পরিকল্পিত আকস্মিক অভিযানে ইউক্রেন চালাল ‘অপারেশন স্পাইডার’ (Operation Spider)। রবিবার রাতে একাধিক রুশ বিমানঘাঁটিতে আকাশপথে হামলা চালিয়ে কিয়েভ জানিয়ে দিল, তারা কারও সাহায্য ছাড়াই মহাশক্তিধর মস্কোর সামরিক পরিকাঠামোতে ভাঙন ধরাতে সক্ষম।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelensky) স্পষ্ট ভাষায় জানান, তাঁর দেশের গোপনচর সংস্থা এসবিইউ (SBU) এই অভিযানে একাই নেতৃত্ব দিয়েছে। রাশিয়ার অন্তত চারটি বায়ুসেনা ঘাঁটি এবং দুটি সামরিক এয়ারফিল্ডে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি কিয়েভের। ধ্বংস হয়েছে রাশিয়ার (Russia) দু’টি বোমারু বিমান Tu-95 ও Tu-22M3 এবং একটি নজরদারি বিমান A-50।

Advertisement
ads

আন্তর্জাতিক মহলের মতে, গত তিন বছর ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে এই হামলা আকাশপথে ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় সাফল্য। শুধুমাত্র ক্ষয়ক্ষতির দিক থেকেই নয়, রাশিয়ার নিরাপত্তা বলয়ের ভেতরে ঢুকে এই ‘অভ্যন্তরীণ হামলা’ যে বার্তা দিচ্ছে, সেটিই এই মুহূর্তে আরও তাৎপর্যপূর্ণ।

এই ঘটনায় বিস্মিত রুশ প্রশাসন। পাকিস্তানের (Pakistan) মতোই রাশিয়াও প্রথমে হামলার প্রকৃত ব্যাপ্তি বুঝে উঠতে পারেনি বলেই মনে করছে একাংশ পর্যবেক্ষক। অনেকেই বলছেন, ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মতো এই অভিযানও ছিল চূড়ান্তভাবে পরিকল্পিত ও কৌশলগত। হামলার সময় রুশ সেনাঘাঁটিতে আগুন ধরে যায় এবং একাধিক অস্ত্রভাণ্ডার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই হামলার পর কূটনৈতিক স্তরেও চাপ বাড়ছে মস্কোর উপর। কারণ, আজ সোমবার ইস্তানবুলে (Istanbul) রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে ফের মুখোমুখি বসতে চলেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। তার ঠিক আগের দিন এই হামলা নতুন করে উত্তেজনা ছড়াতে পারে বৈঠকের আগেই।

Advertisement
ads

একইসঙ্গে, জেলেনস্কি (Zelensky) জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকা বা ন্যাটোর কোনও সাহায্য ছাড়াই এই অভিযান চালানো হয়েছে। ফলে এটি শুধু এক সামরিক সাফল্য নয়, বরং কিয়েভের আত্মনির্ভরতা এবং পালটা হামলার সক্ষমতার প্রকাশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের নজর এখন ইস্তানবুল বৈঠকে। এই হামলার পরে কি মস্কো আগ্রাসী মনোভাব আরও বাড়াবে, নাকি আলোচনার পথে ফিরবে— উত্তর দেবে সময়।

Continue Reading
Advertisement