শ্লীলতাহানির অভিযোগে রাতেই গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী, নির্যাতিতাকে সঙ্গে নিয়ে থানায় হাজির বিজেপি বিধায়ক
Connect with us

ভাইরাল খবর

শ্লীলতাহানির অভিযোগে রাতেই গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী, নির্যাতিতাকে সঙ্গে নিয়ে থানায় হাজির বিজেপি বিধায়ক

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ শ্লীলতাহানির (Molestation) অভিযোগে উত্তপ্ত ইন্দাস (Indas)। এক গৃহবধূর অভিযোগে নাম জড়ায় এক তৃণমূল কর্মীর (TMC Worker)। স্থানীয় নেতাদের (Local Leaders) কাছে অভিযোগ জানানো হলেও, থানায় যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলেই দাবি নির্যাতিতার।

শেষ পর্যন্ত আর অপেক্ষা নয়—গৃহবধূ সরাসরি বিজেপি বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়ার (BJP MLA Nirmal Kumar Dhara) সঙ্গে যোগাযোগ করেন। রাতেই তাঁকে সঙ্গে নিয়ে পৌঁছে যান বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের (Police Superintendent) দফতরে। সেখানেই প্রথম লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়।

এরপর বিধায়কের নেতৃত্বে নির্যাতিতা যান ইন্দাস থানায় (Indas Police Station)। দ্রুত পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। অভিযোগ জমা পড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত যুবককে। ধৃতকে বুধবারই পাঠানো হয় বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে (Bishnupur Court)।

ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার সন্ধেয়। নির্যাতিতার অভিযোগ, তিনি নিজের ছেলেকে পড়াচ্ছিলেন। কিছুক্ষণের জন্য ছেলে পাশের এক আত্মীয়ের বাড়িতে যেতেই, আচমকা এক প্রতিবেশী যুবক বাড়িতে ঢুকে পড়ে। এরপরেই শুরু হয় শ্লীলতাহানির চেষ্টা (Attempt to Outrage Modesty)। অভিযুক্তের রাজনৈতিক পরিচয় ঘিরে শুরু হয় চাপানউতোর।

Advertisement
ads

গৃহবধূর অভিযোগ, অভিযুক্ত তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী হওয়ায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁকে থানায় অভিযোগ জানাতে বাধা দেয়। যদিও তৃণমূল (TMC) সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁদের দলের কেউ নন।

বিজেপি বিধায়ক নির্মল ধাড়া এই ঘটনার কড়া নিন্দা করে জানান,

“একজন গৃহবধূর উপর এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা বরদাস্ত করা হবে না। দ্রুত অভিযুক্তকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। না হলে বড়সড় আন্দোলনে নামবে বিজেপি।”

নির্যাতিতার পরিবারেরও দাবি, অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি (Strict Punishment) প্রয়োজন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, ধর্ষণের চেষ্টা (Attempt to Rape), ও ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক ধারায় (IPC Sections) মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্যাতিতাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে (Bishnupur District Hospital)।

ঘটনাটি ইতিমধ্যেই এলাকাজুড়ে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি করেছে।

Advertisement
ads